নারায়ণগঞ্জ ০১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালিত বন্দরে ৩০ কেজি গাজাসহ এক নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শ্রমিক জাগরণ মঞ্চের ১৪০ তম আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস পালিত অপরাধ দমনে পরিচিত গোলাম সারোয়ার সোনারগাঁয়ের নতুন ওসি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর মাধ্যমে আমরা তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই:ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ডাকাতি ঘটনায় তিন ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার সুগন্ধা+ খাবারের ভেতর পাওয়া গেল তেলাপোকা বন্দরে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির সদর উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনালে বালকে মুসলিমনগর, বালিকায় কুতুবপুর চ্যাম্পিয়ন নারায়ণগঞ্জে দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সচেতনতামূলক কর্মশালা

সরকারের উদ্দেশ্য আসলে কি? : বাংলাদেশ ন্যাপ

বিশেষ প্রতিনিধি : ফেরী বন্ধ আবার চালু, বিজেবি মোতায়েন, দূরপাল্লার বাস বন্ধ নিয়ে নানা নাটকিয়তার মধ্যে গত কয়েকদিনে গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগ দেখে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে ‘সরকারের উদ্দেশ্য আসলে কি? গরীব মানুষের ঈদযাত্রা বন্ধ করা, নাকি করোনা ঠেকানো? যদি করোনা ঠেকানোই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে কেন বিকল্প ভাবনা নেই?’ মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার (১০ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এই মন্তব্য করেন।

তারা বলেন, মহাসড়ক, ফেরিঘাটে করোনাকালের আগের ঈদগুলোর মতো উপচেপড়া ভিড় ও গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও অপিরিকল্পিত লকডাউন। মার্কেট খোলা, জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চালু রেখে বিজেবি মোতায়েনের মাধ্যমে জনস্রোত রোখার সরকারের প্রচেষ্টা পরিপূর্ণ ব্যর্থ। বরং অপরিকল্পিত লকডাউনের মধ্য দিয়ে সরকারের দুরদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষগুলোকে দুর্যোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, অপরিকল্পিত লকডাউন না দিয়ে সরকারের উচিত ছিল পরিবহন একেবারেই বন্ধ রাখা, অন্যথায় পরিপূর্ণ চালু রাখা। এতে বরং পরিবহনগুলো নিয়মকানুন মেনে যাত্রী পরিবহনে অনেকটাই বাধ্য হতো। সব পরিবহন চালু থাকলে এত ভিড় ও গাদাগাদিও হতো না। গ্রামমুখি মানুষের এত দুর্ভোগ পোহাতে হত না। বন্ধ ও খোলার মাঝামাঝি অবস্থায় ভালো কিছু হবে না, হতে পারে না।

ন্যাপ নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ট্রাকে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অর্ধেক আসন খালি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার বাস চালু থাকলে যাত্রীরা সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমত।

তারা বলেন, দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রেখে প্রাইভেট গাড়ি চালুর রাখার নীতি সরকারের ভ্রান্তনীতি। যাদের গাড়ি আছে শুধু তাদের জন্য কেন সুযোগ থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রাইভেট গাড়িতে যেতে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে বাস্তবে এ নিয়ম অকার্যকর; বরং প্রাইভেট গাড়িগুলো ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, প্রকৃত অর্থে মানুষ সচেতন না হলে শুধু আইন করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে জনস্রোত ঠেকানো যাবে না। বাস বন্ধ রেখে প্রাইভেটকার চালু রাখলে গ্রামমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো যাবে না। গত বছরের ঈদেও তা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য দিবস পালিত

সরকারের উদ্দেশ্য আসলে কি? : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৫:১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি : ফেরী বন্ধ আবার চালু, বিজেবি মোতায়েন, দূরপাল্লার বাস বন্ধ নিয়ে নানা নাটকিয়তার মধ্যে গত কয়েকদিনে গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগ দেখে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে ‘সরকারের উদ্দেশ্য আসলে কি? গরীব মানুষের ঈদযাত্রা বন্ধ করা, নাকি করোনা ঠেকানো? যদি করোনা ঠেকানোই উদ্দেশ্য হয়, তাহলে কেন বিকল্প ভাবনা নেই?’ মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার (১০ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এই মন্তব্য করেন।

তারা বলেন, মহাসড়ক, ফেরিঘাটে করোনাকালের আগের ঈদগুলোর মতো উপচেপড়া ভিড় ও গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও অপিরিকল্পিত লকডাউন। মার্কেট খোলা, জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চালু রেখে বিজেবি মোতায়েনের মাধ্যমে জনস্রোত রোখার সরকারের প্রচেষ্টা পরিপূর্ণ ব্যর্থ। বরং অপরিকল্পিত লকডাউনের মধ্য দিয়ে সরকারের দুরদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষগুলোকে দুর্যোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, অপরিকল্পিত লকডাউন না দিয়ে সরকারের উচিত ছিল পরিবহন একেবারেই বন্ধ রাখা, অন্যথায় পরিপূর্ণ চালু রাখা। এতে বরং পরিবহনগুলো নিয়মকানুন মেনে যাত্রী পরিবহনে অনেকটাই বাধ্য হতো। সব পরিবহন চালু থাকলে এত ভিড় ও গাদাগাদিও হতো না। গ্রামমুখি মানুষের এত দুর্ভোগ পোহাতে হত না। বন্ধ ও খোলার মাঝামাঝি অবস্থায় ভালো কিছু হবে না, হতে পারে না।

ন্যাপ নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ট্রাকে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অর্ধেক আসন খালি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার বাস চালু থাকলে যাত্রীরা সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমত।

তারা বলেন, দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রেখে প্রাইভেট গাড়ি চালুর রাখার নীতি সরকারের ভ্রান্তনীতি। যাদের গাড়ি আছে শুধু তাদের জন্য কেন সুযোগ থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রাইভেট গাড়িতে যেতে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে বাস্তবে এ নিয়ম অকার্যকর; বরং প্রাইভেট গাড়িগুলো ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, প্রকৃত অর্থে মানুষ সচেতন না হলে শুধু আইন করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে জনস্রোত ঠেকানো যাবে না। বাস বন্ধ রেখে প্রাইভেটকার চালু রাখলে গ্রামমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো যাবে না। গত বছরের ঈদেও তা সম্ভব হয়নি।