সৌদি সরকারের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সৌদি আরবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে বিন মিশাল গ্লোবাল কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখায় কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়-রোজগারের পাশাপাশি বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহেও ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
সম্প্রতি বিন মিশাল ট্রাভেলসের সুনাম ক্ষুণ্ন এবং প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে রিয়াদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বিন মিশাল কোম্পানি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে রিয়াদের হোটেল ডি প্যালেসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিন মিশাল কোম্পানির ম্যানেজার মিজানুর রহমান এবং মাইল কোম্পানির সিইও নারী উদ্যোক্তা নাসিমা বেগম।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্যের টিকিটের অর্থ ফেরত নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাহমুদ নামে এক ব্যক্তি এবং তার অনলাইন সহযোগী নিলয়ের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করেছে বিন মিশাল কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ বা অনলাইন প্রচারণা চালালেই সেটিকে সত্য হিসেবে গ্রহণ না করে ঘটনার প্রকৃত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। এ সময় প্রবাসীদের বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বিন মিশাল কোম্পানির চেয়ারম্যান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেওয়া ভিডিও বা বক্তব্য দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রবাসীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও বিন মিশাল কাজ করে যাবে বলে জানান।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সৌদি আরবে বর্তমানে বিন মিশাল ট্রাভেলসের ২৩টি শাখা রয়েছে। এসব শাখায় কয়েকশ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং কোম্পানির অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা এসব প্রশ্নের জবাব দিয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান এবং সেবার সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে বিন মিশাল। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
ফারুক আহমেদ চান,মধ্যপ্রাচ্য ইনচার্জ: 











