নারায়ণগঞ্জ ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অপরাধ দমনে পরিচিত গোলাম সারোয়ার সোনারগাঁয়ের নতুন ওসি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর মাধ্যমে আমরা তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই:ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ডাকাতি ঘটনায় তিন ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার সুগন্ধা+ খাবারের ভেতর পাওয়া গেল তেলাপোকা বন্দরে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির সদর উপজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনালে বালকে মুসলিমনগর, বালিকায় কুতুবপুর চ্যাম্পিয়ন নারায়ণগঞ্জে দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সচেতনতামূলক কর্মশালা আড়াইহাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনের রামচন্দ্রী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন আড়াইহাজারে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

শহরের চাষাড়ার প্রতারক সায়েম আক্তার ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

শহর প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর চাষাড়া, চানমারী এলাকার সায়েম আক্তার ভূঁইয়া (৪৫) নামের এক প্রতারক ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়। সায়েম আক্তার ভূঁইয়া ঢাকার শাহাজাদপুর, গুলশান এলাকায় অবস্থিত পলমল গ্রুপে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে একই প্রতিষ্ঠানের রেফাদুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বন্ধুত্বের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারক সায়েম আক্তার ভূঁইয়া চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার নামে এক মাসের কথা বলে বাদী রেফাদুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। কিন্তু বছর ঘুরে এলোও বাদীর পাওনা টাকা বিবাদী প্রতারক সায়েম না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে এবং টাকা চাইলে হুমকি প্রদান করে করে বলে বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় রেফাদুল ইসলাম আকন্দ (৩৯) নামের একজন ব্যাক্তি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহার অভিযোগ নং- ৭৮৮৭

প্রতারক সায়েম চাষাড়ার চাঁনমারী মফিজুল ইসলাম আবাসিক এলাকার ১২ নং (মিশুদের বাড়িতে ) থাকেন বলে জানা যায়। তার বাবার নাম ওয়ালী আহমেদ ভুইয়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী সায়মা আক্তার ভুঁইয়া একজন প্রতারক। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ডু বাদী ও বিবাদী দুজনকে সমাধানের জন্য ডাকলে দুজনে থানায় উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিবাদী প্রতারক সায়েম স্বীকার করেন যে, তিনি বাদীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ব্যবসার কাজে ধার নিয়েছেন, এবং তা এক মাস পর ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন।

এমতাবস্থায় বিবাদী প্রতারক সায়েম পুলিশের উপস্থিতিতে বাদী রেফাদুলকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার একটি চুক্তিনামা দলিল করেন। চুক্তিনামা দলিলে বাদীকে পাওনা টাকার মধ্যে দুই লক্ষ টাকা ১৪ অক্টোবর দেয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বিবাদী প্রতারক সায়েম তার আগেই শহর ছেড়ে উধাও হয়ে যায়।

পুলিশের উপপরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ড সাংবাদিকদের জানান, চুক্তিনামা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর বাদীর পাওনা ৫ লাখ টাকার মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা থাকলে আমি বিবাদী সায়েমকে মোবাইলে কল দেই কিন্তু ফোন বন্ধ পাই। চুক্তিনামা ভঙ্গ করে বিবাদী যে অন্যায় করেছেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

অপরাধ দমনে পরিচিত গোলাম সারোয়ার সোনারগাঁয়ের নতুন ওসি

শহরের চাষাড়ার প্রতারক সায়েম আক্তার ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও

আপডেট সময় : ০৭:০৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

শহর প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর চাষাড়া, চানমারী এলাকার সায়েম আক্তার ভূঁইয়া (৪৫) নামের এক প্রতারক ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়। সায়েম আক্তার ভূঁইয়া ঢাকার শাহাজাদপুর, গুলশান এলাকায় অবস্থিত পলমল গ্রুপে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে একই প্রতিষ্ঠানের রেফাদুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বন্ধুত্বের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারক সায়েম আক্তার ভূঁইয়া চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার নামে এক মাসের কথা বলে বাদী রেফাদুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। কিন্তু বছর ঘুরে এলোও বাদীর পাওনা টাকা বিবাদী প্রতারক সায়েম না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে এবং টাকা চাইলে হুমকি প্রদান করে করে বলে বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় রেফাদুল ইসলাম আকন্দ (৩৯) নামের একজন ব্যাক্তি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহার অভিযোগ নং- ৭৮৮৭

প্রতারক সায়েম চাষাড়ার চাঁনমারী মফিজুল ইসলাম আবাসিক এলাকার ১২ নং (মিশুদের বাড়িতে ) থাকেন বলে জানা যায়। তার বাবার নাম ওয়ালী আহমেদ ভুইয়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী সায়মা আক্তার ভুঁইয়া একজন প্রতারক। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ডু বাদী ও বিবাদী দুজনকে সমাধানের জন্য ডাকলে দুজনে থানায় উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিবাদী প্রতারক সায়েম স্বীকার করেন যে, তিনি বাদীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ব্যবসার কাজে ধার নিয়েছেন, এবং তা এক মাস পর ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন।

এমতাবস্থায় বিবাদী প্রতারক সায়েম পুলিশের উপস্থিতিতে বাদী রেফাদুলকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার একটি চুক্তিনামা দলিল করেন। চুক্তিনামা দলিলে বাদীকে পাওনা টাকার মধ্যে দুই লক্ষ টাকা ১৪ অক্টোবর দেয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বিবাদী প্রতারক সায়েম তার আগেই শহর ছেড়ে উধাও হয়ে যায়।

পুলিশের উপপরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ড সাংবাদিকদের জানান, চুক্তিনামা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর বাদীর পাওনা ৫ লাখ টাকার মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা থাকলে আমি বিবাদী সায়েমকে মোবাইলে কল দেই কিন্তু ফোন বন্ধ পাই। চুক্তিনামা ভঙ্গ করে বিবাদী যে অন্যায় করেছেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।