নারায়ণগঞ্জ ১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

শহরের চাষাড়ার প্রতারক সায়েম আক্তার ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

শহর প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর চাষাড়া, চানমারী এলাকার সায়েম আক্তার ভূঁইয়া (৪৫) নামের এক প্রতারক ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়। সায়েম আক্তার ভূঁইয়া ঢাকার শাহাজাদপুর, গুলশান এলাকায় অবস্থিত পলমল গ্রুপে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে একই প্রতিষ্ঠানের রেফাদুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বন্ধুত্বের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারক সায়েম আক্তার ভূঁইয়া চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার নামে এক মাসের কথা বলে বাদী রেফাদুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। কিন্তু বছর ঘুরে এলোও বাদীর পাওনা টাকা বিবাদী প্রতারক সায়েম না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে এবং টাকা চাইলে হুমকি প্রদান করে করে বলে বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় রেফাদুল ইসলাম আকন্দ (৩৯) নামের একজন ব্যাক্তি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহার অভিযোগ নং- ৭৮৮৭

প্রতারক সায়েম চাষাড়ার চাঁনমারী মফিজুল ইসলাম আবাসিক এলাকার ১২ নং (মিশুদের বাড়িতে ) থাকেন বলে জানা যায়। তার বাবার নাম ওয়ালী আহমেদ ভুইয়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী সায়মা আক্তার ভুঁইয়া একজন প্রতারক। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ডু বাদী ও বিবাদী দুজনকে সমাধানের জন্য ডাকলে দুজনে থানায় উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিবাদী প্রতারক সায়েম স্বীকার করেন যে, তিনি বাদীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ব্যবসার কাজে ধার নিয়েছেন, এবং তা এক মাস পর ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন।

এমতাবস্থায় বিবাদী প্রতারক সায়েম পুলিশের উপস্থিতিতে বাদী রেফাদুলকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার একটি চুক্তিনামা দলিল করেন। চুক্তিনামা দলিলে বাদীকে পাওনা টাকার মধ্যে দুই লক্ষ টাকা ১৪ অক্টোবর দেয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বিবাদী প্রতারক সায়েম তার আগেই শহর ছেড়ে উধাও হয়ে যায়।

পুলিশের উপপরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ড সাংবাদিকদের জানান, চুক্তিনামা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর বাদীর পাওনা ৫ লাখ টাকার মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা থাকলে আমি বিবাদী সায়েমকে মোবাইলে কল দেই কিন্তু ফোন বন্ধ পাই। চুক্তিনামা ভঙ্গ করে বিবাদী যে অন্যায় করেছেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

শহরের চাষাড়ার প্রতারক সায়েম আক্তার ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও

আপডেট সময় : ০৭:০৬:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

শহর প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর চাষাড়া, চানমারী এলাকার সায়েম আক্তার ভূঁইয়া (৪৫) নামের এক প্রতারক ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়। সায়েম আক্তার ভূঁইয়া ঢাকার শাহাজাদপুর, গুলশান এলাকায় অবস্থিত পলমল গ্রুপে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে একই প্রতিষ্ঠানের রেফাদুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বন্ধুত্বের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারক সায়েম আক্তার ভূঁইয়া চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার নামে এক মাসের কথা বলে বাদী রেফাদুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। কিন্তু বছর ঘুরে এলোও বাদীর পাওনা টাকা বিবাদী প্রতারক সায়েম না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে এবং টাকা চাইলে হুমকি প্রদান করে করে বলে বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় রেফাদুল ইসলাম আকন্দ (৩৯) নামের একজন ব্যাক্তি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহার অভিযোগ নং- ৭৮৮৭

প্রতারক সায়েম চাষাড়ার চাঁনমারী মফিজুল ইসলাম আবাসিক এলাকার ১২ নং (মিশুদের বাড়িতে ) থাকেন বলে জানা যায়। তার বাবার নাম ওয়ালী আহমেদ ভুইয়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী সায়মা আক্তার ভুঁইয়া একজন প্রতারক। বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ডু বাদী ও বিবাদী দুজনকে সমাধানের জন্য ডাকলে দুজনে থানায় উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিবাদী প্রতারক সায়েম স্বীকার করেন যে, তিনি বাদীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ব্যবসার কাজে ধার নিয়েছেন, এবং তা এক মাস পর ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন।

এমতাবস্থায় বিবাদী প্রতারক সায়েম পুলিশের উপস্থিতিতে বাদী রেফাদুলকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার একটি চুক্তিনামা দলিল করেন। চুক্তিনামা দলিলে বাদীকে পাওনা টাকার মধ্যে দুই লক্ষ টাকা ১৪ অক্টোবর দেয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বিবাদী প্রতারক সায়েম তার আগেই শহর ছেড়ে উধাও হয়ে যায়।

পুলিশের উপপরিদর্শক দেবাশীষ কুন্ড সাংবাদিকদের জানান, চুক্তিনামা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর বাদীর পাওনা ৫ লাখ টাকার মধ্যে ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা থাকলে আমি বিবাদী সায়েমকে মোবাইলে কল দেই কিন্তু ফোন বন্ধ পাই। চুক্তিনামা ভঙ্গ করে বিবাদী যে অন্যায় করেছেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।