নারায়ণগঞ্জ ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মানবন্ধনে ন্যাপ মহাসচিব দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাসে জনজীবন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :

বাজারে চাল-ডাল-তেল-আটা-পেয়াজসহ প্রতি মুহুর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য। ফলে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, সরকার শুধুমাত্র ধনিক শ্রেণী আর লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাস্ত। ফলে বাজার সিন্ডিকেট জনগনের পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “চাল-ডাল-তেল-আটা-পিয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের দাবীতে” বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, গরিব মানুষের সস্তায় ক্রয়ের শেষ পণ্য মোটা চালের কেজি পৌঁছেছে ৫০ টাকায়। চালের দামের ওপর নির্ভর করছে অন্যান্য জিনিসপত্রের দামের সমীকরণ। পরিণামে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষক, শ্রমিক এবং পেশাজীবীসহ সীমিত আয়ের মানুষ। অথচ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। চোখে পড়ছে না সারাদেশে কালোবাজারি ঠেকানোর কার্যক্রম।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, বার বার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির উপযুক্ত কোনও কারণ হাজির করতে পারেনি ব্যবসায়ীরা। বরাবরের মতো কৃত্রিম সংকট, সরবরাহে ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কথা বলেছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো। খাদ্যের অভাবে এই পৃথিবীতে কখনও পণ্যের দাম বাড়াতে হয়নি, সংকট লাগেনি। সংকট লেগেছে মজুতদারদের মজুতদারিতে, আড়তদারিতে।

তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করতে না পারলে অশুভ দিনের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার ভারসাম্য সাধারণ মানুষের অধিকার। টিসিবি পণ্যের সহজলভ্যতা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ করে বাংলাদেশে দুর্নীতি, কালোবাজারি ও মজুতদারি শক্ত হাতে দমন এখন সময়ের প্রয়োজন। নতুবা আমাদের ভাগ্যে অপেক্ষা করছে চরম বিপর্যয়।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া’র সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া’র সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, মো. আমজাদ হোসেন, মহানগর নেতা হাবিবুর রহমান, নারী নেত্রী মিতা রহমান, আনোয়ারা বেগম, লি রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, একদিকে করোনা মহামারি, একদিকে ডেঙ্গুর ছোবল, অন্যদিকে পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন এখন ওষ্ঠাগত। এর একমাত্র কারণ আয় কমে সবকিছুর দাম বাড়ায় অর্থ কুক্ষিগত হয়েছে পুঁজিপতির ঘরে। অসাধু ব্যবসায়ীরাও অতিরিক্ত মুনাফার লোভ সামলাতে পারছেন না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবন্ধনে ন্যাপ মহাসচিব দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাসে জনজীবন

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি :

বাজারে চাল-ডাল-তেল-আটা-পেয়াজসহ প্রতি মুহুর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য। ফলে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, সরকার শুধুমাত্র ধনিক শ্রেণী আর লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাস্ত। ফলে বাজার সিন্ডিকেট জনগনের পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “চাল-ডাল-তেল-আটা-পিয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের দাবীতে” বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, গরিব মানুষের সস্তায় ক্রয়ের শেষ পণ্য মোটা চালের কেজি পৌঁছেছে ৫০ টাকায়। চালের দামের ওপর নির্ভর করছে অন্যান্য জিনিসপত্রের দামের সমীকরণ। পরিণামে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষক, শ্রমিক এবং পেশাজীবীসহ সীমিত আয়ের মানুষ। অথচ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। চোখে পড়ছে না সারাদেশে কালোবাজারি ঠেকানোর কার্যক্রম।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, বার বার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির উপযুক্ত কোনও কারণ হাজির করতে পারেনি ব্যবসায়ীরা। বরাবরের মতো কৃত্রিম সংকট, সরবরাহে ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কথা বলেছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো। খাদ্যের অভাবে এই পৃথিবীতে কখনও পণ্যের দাম বাড়াতে হয়নি, সংকট লাগেনি। সংকট লেগেছে মজুতদারদের মজুতদারিতে, আড়তদারিতে।

তিনি বলেন, ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করতে না পারলে অশুভ দিনের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার ভারসাম্য সাধারণ মানুষের অধিকার। টিসিবি পণ্যের সহজলভ্যতা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ করে বাংলাদেশে দুর্নীতি, কালোবাজারি ও মজুতদারি শক্ত হাতে দমন এখন সময়ের প্রয়োজন। নতুবা আমাদের ভাগ্যে অপেক্ষা করছে চরম বিপর্যয়।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া’র সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া’র সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টি চেয়ারম্যান হামদুল্লাহ আল মেহেদী, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, মো. আমজাদ হোসেন, মহানগর নেতা হাবিবুর রহমান, নারী নেত্রী মিতা রহমান, আনোয়ারা বেগম, লি রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, একদিকে করোনা মহামারি, একদিকে ডেঙ্গুর ছোবল, অন্যদিকে পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন এখন ওষ্ঠাগত। এর একমাত্র কারণ আয় কমে সবকিছুর দাম বাড়ায় অর্থ কুক্ষিগত হয়েছে পুঁজিপতির ঘরে। অসাধু ব্যবসায়ীরাও অতিরিক্ত মুনাফার লোভ সামলাতে পারছেন না।