নারায়ণগঞ্জ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: নারায়ণগঞ্জে ৩ পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ: মোতায়েন ১১৪ আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক

অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের বাসায়  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৩৮১ বার পড়া হয়েছে
নূরুল হুদা মেহেদী : শয্যাশায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ লুৎফর রহমানকে দেখতে গেলেন জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (৪ঠা জানুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৩টায় শহরের আল্লামা ইকবাল রোড এলাকার বাসায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার শারিরীক অবস্থার খোঁজ খবর নেন তারা। এসময় জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের নির্দেশে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইসমত আরা এবং নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ফরহাদ হোসেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসমত আরা বলেন, যাদের কারনে আমরা এ স্বাধীণতা পেয়েছি। উনাদের এমন অবস্থা দেখতে সত্যিই খারাপ লাগে। জেলা প্রশাসক স্যার বিষয়টি জানতে পেরে আমাদের পাঠিয়েছেন। আমরা দেখে গেলাম বিষয়টা স্যারকে জানাবো। তারপর দেখা যাক কি করা যায়।
ওইসময় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তার পিতার জন্য রাজধানীর সরকারী হাসপাতালে আইসিইউ বেড অথবা কেবিনে রেখে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আকুল আবেদন জানায়। এর প্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধার শারিরীক অবস্থার উন্নতিতে চিকিৎসা সহযোগীতার জন্য উপস্থিত আবাসিক চিকিৎসককে নির্দেশ দেন।  চিকিৎসা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসন বিষয়টি দেখবেন বলেও আশ্বস্ত করেন।
এদিকে দুপুরে গুরুতর অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখতে যাবেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ। এমনটা চাউর হলেও তিনি যান নি। এরআগে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধার অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত রাজনৈতিক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেউই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় এগিয়ে আসেনি।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন অসুস্থ্য থাকলেও রাজনৈতিক ও প্রসাশনিকভাবে অবহেলিত রয়েছেন সৈয়দ লুৎফর রহমান। গত (৩রা জানুয়ারী) সোমবারই নগরীরর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ৩৩দিন চিকিৎসাসেবা নেয়ার পর বাড়িতে নিয়ে যায় তার পরিবার। এরআগেও ব্রেন স্ট্রোক ও কিডনিতে ইনফেকশন জনিত কারণে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ট হাসপাতাল, নিউরো সাইন্স ইনস্টিটিউট ঘুরে কোথাও বেড না পেয়ে সবশেষ একটি বেসরকারীতে ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ্য হয়েছিল। তবে বর্তমানে সার্বিক দিক থেকে অসহায় হয়ে পড়েছেন মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান। তাই নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।
ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন

অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের বাসায়  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩
নূরুল হুদা মেহেদী : শয্যাশায়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ লুৎফর রহমানকে দেখতে গেলেন জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (৪ঠা জানুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৩টায় শহরের আল্লামা ইকবাল রোড এলাকার বাসায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার শারিরীক অবস্থার খোঁজ খবর নেন তারা। এসময় জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের নির্দেশে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইসমত আরা এবং নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ফরহাদ হোসেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসমত আরা বলেন, যাদের কারনে আমরা এ স্বাধীণতা পেয়েছি। উনাদের এমন অবস্থা দেখতে সত্যিই খারাপ লাগে। জেলা প্রশাসক স্যার বিষয়টি জানতে পেরে আমাদের পাঠিয়েছেন। আমরা দেখে গেলাম বিষয়টা স্যারকে জানাবো। তারপর দেখা যাক কি করা যায়।
ওইসময় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তার পিতার জন্য রাজধানীর সরকারী হাসপাতালে আইসিইউ বেড অথবা কেবিনে রেখে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আকুল আবেদন জানায়। এর প্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধার শারিরীক অবস্থার উন্নতিতে চিকিৎসা সহযোগীতার জন্য উপস্থিত আবাসিক চিকিৎসককে নির্দেশ দেন।  চিকিৎসা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসন বিষয়টি দেখবেন বলেও আশ্বস্ত করেন।
এদিকে দুপুরে গুরুতর অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখতে যাবেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ। এমনটা চাউর হলেও তিনি যান নি। এরআগে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধার অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত রাজনৈতিক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেউই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় এগিয়ে আসেনি।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন অসুস্থ্য থাকলেও রাজনৈতিক ও প্রসাশনিকভাবে অবহেলিত রয়েছেন সৈয়দ লুৎফর রহমান। গত (৩রা জানুয়ারী) সোমবারই নগরীরর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ৩৩দিন চিকিৎসাসেবা নেয়ার পর বাড়িতে নিয়ে যায় তার পরিবার। এরআগেও ব্রেন স্ট্রোক ও কিডনিতে ইনফেকশন জনিত কারণে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ট হাসপাতাল, নিউরো সাইন্স ইনস্টিটিউট ঘুরে কোথাও বেড না পেয়ে সবশেষ একটি বেসরকারীতে ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ্য হয়েছিল। তবে বর্তমানে সার্বিক দিক থেকে অসহায় হয়ে পড়েছেন মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান। তাই নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।