নারায়ণগঞ্জ ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন সহ শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে মিশে যায় বহুরূপী বাচ্চু নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে বেপরোয়া ভূমিখেকো বাচ্চু শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপি হাবিবুর রহমানকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একযোগে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যুবলীগ, না যুবদল—রূপগঞ্জে আজিজুল মালুমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ ডিসি ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১২

প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটালে পা বেধে সাত মাসেই সন্তান প্রসব

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
  • ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটালে প্রসতির দুই পা বেধে করানো হয়েছে সন্তান প্রসব। পেটের ব্যাথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূকে অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে সন্তান প্রসব করানো হয়। নবজাতকের অবস্তা গুরুতর। প্রসতির সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার প্রতিবাদ করায় স্বজনদের অশালীন ভাষায় গালমন্দ করার অভিযোগ উঠেছে ডাক্তারও হসপিটাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সানারপাড় এলাকার মাহাবুবুর হাসানের স্ত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্তা সাদিয়ার পেটে ব্যাথা অনুভব করায় বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন হসপিটালের প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ নূরজাহান বেগমের তত্ত্বাবধানে সাদিয়াকে ভর্তি করে কোন পরীক্ষা-রিরিক্ষা না করেই সন্তান প্রসব করার জন্য রাত ১০ টায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।
সাদিয়ার স্বামী মাহবুবুর হাসান বলেন, ডাক্তার নূরজাহান বেগম আমার স্ত্রীকে কোন পর্যবেক্ষণ না করেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। আমার স্ত্রী ব্যাথায় চিৎকার করতে থাকলে তার দুই পা রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। এসময় বাহির থেকে স্ত্রীর চিৎকার শোনতে পাই। অন্তত ৫৫ মিনিট পর থিয়েটার থেকে বের হয়ে ডাক্তার নূরজাহান বেগম বলেন বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাচ্চাকে এনআইসিও’তে ভর্তী করাতে হবে। পরে এনআইসিওতে নিয়ে যাওয়ার সময় বাচ্চার দেহের বিভিন্ন অংশে জখমের দাগ দেখে জিজ্ঞাসা করলে আশালীন ভাষায় গালাগালি করে ডাক্তার নূরজাহান। জোরাজোরি করে বাচ্চা প্রসব করানোর ফলে এমন পরিস্থিতি হয়েছে বলে মাহবুবুর হাসানের অভিযোগ।
ডাক্তার নূরজাহান বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগী ৭ মাসের অন্তঃসত্তা। তাকে হসপিটালে নিয়ে আসার পর দেখি বাচ্চার মাথা নিচে চলে এসেছে। তখন দ্রুত তাকে লেবার রুমে নিয়ে যাই। নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। প্রসবের পর বাচ্চা ঠিকমত অক্সিজেন পাচ্ছিলোনা। তাই তাকে এনআইসিওতে রাখা হয়। প্রসবের সময় রোগীর সাথে কোন ধরনের খারাপ আচরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটাল এন্ড কলেজটি চালু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক ডক্তারের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। এসব মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুরও চালিয়েছে। হসপিটালটির অপচিকিৎসা বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধমের সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তাছাড়া কারণ ছাড়াই বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতা দেখিয়ে রোগীর পরিবারের কাছ বেশি অর্থ আদায়ের জন্য অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-রিরিক্ষা করানোর অভিযোগ রয়েছে হসপিটালটির বিরুদ্ধে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটালে পা বেধে সাত মাসেই সন্তান প্রসব

আপডেট সময় : ১২:০২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটালে প্রসতির দুই পা বেধে করানো হয়েছে সন্তান প্রসব। পেটের ব্যাথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূকে অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে সন্তান প্রসব করানো হয়। নবজাতকের অবস্তা গুরুতর। প্রসতির সঙ্গে অমানবিক আচরণ করার প্রতিবাদ করায় স্বজনদের অশালীন ভাষায় গালমন্দ করার অভিযোগ উঠেছে ডাক্তারও হসপিটাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সানারপাড় এলাকার মাহাবুবুর হাসানের স্ত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্তা সাদিয়ার পেটে ব্যাথা অনুভব করায় বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন হসপিটালের প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ নূরজাহান বেগমের তত্ত্বাবধানে সাদিয়াকে ভর্তি করে কোন পরীক্ষা-রিরিক্ষা না করেই সন্তান প্রসব করার জন্য রাত ১০ টায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।
সাদিয়ার স্বামী মাহবুবুর হাসান বলেন, ডাক্তার নূরজাহান বেগম আমার স্ত্রীকে কোন পর্যবেক্ষণ না করেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। আমার স্ত্রী ব্যাথায় চিৎকার করতে থাকলে তার দুই পা রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। এসময় বাহির থেকে স্ত্রীর চিৎকার শোনতে পাই। অন্তত ৫৫ মিনিট পর থিয়েটার থেকে বের হয়ে ডাক্তার নূরজাহান বেগম বলেন বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাচ্চাকে এনআইসিও’তে ভর্তী করাতে হবে। পরে এনআইসিওতে নিয়ে যাওয়ার সময় বাচ্চার দেহের বিভিন্ন অংশে জখমের দাগ দেখে জিজ্ঞাসা করলে আশালীন ভাষায় গালাগালি করে ডাক্তার নূরজাহান। জোরাজোরি করে বাচ্চা প্রসব করানোর ফলে এমন পরিস্থিতি হয়েছে বলে মাহবুবুর হাসানের অভিযোগ।
ডাক্তার নূরজাহান বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগী ৭ মাসের অন্তঃসত্তা। তাকে হসপিটালে নিয়ে আসার পর দেখি বাচ্চার মাথা নিচে চলে এসেছে। তখন দ্রুত তাকে লেবার রুমে নিয়ে যাই। নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। প্রসবের পর বাচ্চা ঠিকমত অক্সিজেন পাচ্ছিলোনা। তাই তাকে এনআইসিওতে রাখা হয়। প্রসবের সময় রোগীর সাথে কোন ধরনের খারাপ আচরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, প্রো-অ্যাকটিভ হসপিটাল এন্ড কলেজটি চালু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক ডক্তারের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। এসব মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুরও চালিয়েছে। হসপিটালটির অপচিকিৎসা বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধমের সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তাছাড়া কারণ ছাড়াই বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতা দেখিয়ে রোগীর পরিবারের কাছ বেশি অর্থ আদায়ের জন্য অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-রিরিক্ষা করানোর অভিযোগ রয়েছে হসপিটালটির বিরুদ্ধে।