সংবাদ শিরোনাম ::
বাবার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া: সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রানার পিতার বিংশতম মৃত্যুবার্ষিকী আড়াইহাজারে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা

জেলা প্রশাসনকে অবজ্ঞা করে সিদ্ধিরগঞ্জে চলছে মেলা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে বিনোদনের নামে জেলা প্রশাসনকে অবজ্ঞা করে অনুমতি ছাড়াই থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে দৈনিক লক্ষাধিক টাকার টার্গেট নিয়ে রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় বসানো হয়েছে মেলা। স্থানীয় কাউন্সিলরের ক্যাডার বাহিনীর শেল্টারে মানিক নামে এক ব্যক্তি এই মেলা বসিয়েছে। মেলাকে ঘিরে সন্ধ্যার পর জমে উঠে মাদক বেচা কিনা। কিশোরগ্যাং, মাদকসেবী ও বখাটেদের উশৃঙ্খলাতায় বিব্রত হচ্ছে মেলায় আগন্ত নারীরা। উচ্চস্বরে মাইকে অশ্লীল গানবাজনা ও হইহুল্লায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাগাত হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, নাসিক ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহ জালাল বাদলের বাড়ীর পশ্চিম পাশে আলী আকবর মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন ঘনবসতী রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় বসানো হয়েছে মেলা। হরেকরকম দোকানপাট, নাগর দোলা, নৌকা দোলা, চরকি বসানো হয়েছে বিনোদনের জন্য। মাত্র দুই মিনিটের জন্য নৌকা দোলার টিকিট ৩০ টাকা, নাগর দোলায় ২০ টাকা, চরকি ২০ টাকা। হরেকরকম দোকান থেকে চাঁদা নেওয়া হয় দৈনিক তিনশত থেকে ৫ শত টাকা করে। মেলার সুযোগ নিয়ে দেদারছে মাদক বেচা কিনা হচ্ছে বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। দৈনিক লক্ষাধিক টাকার টার্গেট নিয়ে বসানো হয়েছে এই মেলা। মেলার আয় থেকে দৈনিক মোটা অংকের টাকা পাচ্ছে থানা পুলিশ। বাকী টাকা ভাগবন্টন হচ্ছে কাউন্সিলর বাদলের ক্যাডার বাহিনী ও মেলার আয়োজকদের মধ্যে। মেলাটি বসিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমানের ভাই পরিচয়দানকারী মানিক।

পেশাদার মেলার আয়োজক মানিক বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমানের সাথে কথা বলে মেলাটি বসানো হয়েছে। তবে লিখিত কোন অনুমতি পত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করে মেলা বসানো হয়েছে। আবেদনের কপি থানায় জমা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি দিয়েছে এমন লিখিত কাগজ জমা দেয়া হয় নাই।

সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কোহিনুর আক্তার বলেন, মেলার অনুমতির বিষয়ে আমার জানা নেই। কোথায় মেলাটি হচ্ছে তা দেখার জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। অনুমতি না থাকলে মেলা ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজকে মোবাইলে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোসাম্মৎ

রহিমা আক্তার বলেন, আমার জানা মতে মেলা বসানোর কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি অনুমতি না নিয়ে মেলা বসানো হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বাবার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া: সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রানার পিতার বিংশতম মৃত্যুবার্ষিকী

জেলা প্রশাসনকে অবজ্ঞা করে সিদ্ধিরগঞ্জে চলছে মেলা

আপডেট সময় : ০১:০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মে ২০২২

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে বিনোদনের নামে জেলা প্রশাসনকে অবজ্ঞা করে অনুমতি ছাড়াই থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে দৈনিক লক্ষাধিক টাকার টার্গেট নিয়ে রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় বসানো হয়েছে মেলা। স্থানীয় কাউন্সিলরের ক্যাডার বাহিনীর শেল্টারে মানিক নামে এক ব্যক্তি এই মেলা বসিয়েছে। মেলাকে ঘিরে সন্ধ্যার পর জমে উঠে মাদক বেচা কিনা। কিশোরগ্যাং, মাদকসেবী ও বখাটেদের উশৃঙ্খলাতায় বিব্রত হচ্ছে মেলায় আগন্ত নারীরা। উচ্চস্বরে মাইকে অশ্লীল গানবাজনা ও হইহুল্লায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাগাত হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, নাসিক ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহ জালাল বাদলের বাড়ীর পশ্চিম পাশে আলী আকবর মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন ঘনবসতী রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় বসানো হয়েছে মেলা। হরেকরকম দোকানপাট, নাগর দোলা, নৌকা দোলা, চরকি বসানো হয়েছে বিনোদনের জন্য। মাত্র দুই মিনিটের জন্য নৌকা দোলার টিকিট ৩০ টাকা, নাগর দোলায় ২০ টাকা, চরকি ২০ টাকা। হরেকরকম দোকান থেকে চাঁদা নেওয়া হয় দৈনিক তিনশত থেকে ৫ শত টাকা করে। মেলার সুযোগ নিয়ে দেদারছে মাদক বেচা কিনা হচ্ছে বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। দৈনিক লক্ষাধিক টাকার টার্গেট নিয়ে বসানো হয়েছে এই মেলা। মেলার আয় থেকে দৈনিক মোটা অংকের টাকা পাচ্ছে থানা পুলিশ। বাকী টাকা ভাগবন্টন হচ্ছে কাউন্সিলর বাদলের ক্যাডার বাহিনী ও মেলার আয়োজকদের মধ্যে। মেলাটি বসিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমানের ভাই পরিচয়দানকারী মানিক।

পেশাদার মেলার আয়োজক মানিক বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমানের সাথে কথা বলে মেলাটি বসানো হয়েছে। তবে লিখিত কোন অনুমতি পত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করে মেলা বসানো হয়েছে। আবেদনের কপি থানায় জমা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি দিয়েছে এমন লিখিত কাগজ জমা দেয়া হয় নাই।

সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কোহিনুর আক্তার বলেন, মেলার অনুমতির বিষয়ে আমার জানা নেই। কোথায় মেলাটি হচ্ছে তা দেখার জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। অনুমতি না থাকলে মেলা ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজকে মোবাইলে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোসাম্মৎ

রহিমা আক্তার বলেন, আমার জানা মতে মেলা বসানোর কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি অনুমতি না নিয়ে মেলা বসানো হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।