নারায়ণগঞ্জ ০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযান হাজীগঞ্জ আইটি স্কুল হইতে খানপুর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমিপল্লী ও হাউজিংয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ,তিতাসের দ্রুত অভিযানের দাবি এলাকাবাসীর সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ নেতার সহযোগী মানিক এখন বিএনপির বড় নেতা নারায়ণগঞ্জ “শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও রাষ্ট্রের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ,আলী হোসেনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবের চেয়ারম্যান দিপুর আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান অনুমতি ব্যতীত রাস্তা খননে আবির ফ্যাশনকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করলেন সদর উপজেলা প্রশাসন

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।