নারায়ণগঞ্জ ১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।