নারায়ণগঞ্জ ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ ফতুল্লায় দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে জরিমান নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিলেন ডিসি রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে নাসিকের ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন, নারায়ণগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ সংকট কালের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তাবিত বাজেট সন্তোষজনক:বিকেএমইএ নারায়ণগঞ্জে প্রধান নিষ্কাশন খালের তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জমি উদ্ধার

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাস অভিযানে দুই কয়েল কারখানাকে ১’লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় অনুমোদনহীন ২’টি কয়েল কারখানায় তিতাসের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। একটি কয়েল কারখানা মালিককে ১’লাখ টাকা জরিমানা ও অপরটি সিলগালা করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন ও সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূসরাত আরা খানমের আদালত মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় হারুনের মালিকানাধীন সোনালী ব্র্যান্ডের মশার কয়েল কারখানােেক ১’লাখ টাকা জরিমানা ও আসাদের মালিমাকানাধী ম্যাজিক ব্র্যান্ডের কয়েল কারখানা সিলগালা করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম ফারুক জানান, কারখানা দু’টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ছিল। গোপনসূত্রে সংবাদ পেয়ে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়ে।
সিনিয়র সহকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার অপরাধে তিতাস আইন ২০১২ এর ১ ধারা অনুযায়ী একটি কারখানাকে জরিমানা ও অপর করাখানা সিলগালা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আসাদ ও হারুনের কয়েল কারখানায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু একদিনের মধ্যেই কারখানা মালিকরা আবার লাইন সংযোগ দিয়ে দেয়। তাদের কারখানায় অবৈধ সংযোগ লাগায় ফয়েজ। এসব কয়েল কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে নামধারী আওয়ামীলীগ নেতা আবু বকর সিদ্দিক আবুল। এই আবুলের শেল্টারে এলাকায় কয়েল কারখানাসহ অন্তত শতাধিক কারখানা থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। আবুল এবং ফয়েজ একই সিন্ডিকেটের লোক। এছাড়াও কারখানার দেখভাল ও বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে আমিনুল। এসব কারখানার কোন সরকারি অনুমতি নেই। বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যানেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে কয়েল কারখানা।