নাসিক ১১নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে এলাকাবাসির মনোনীত প্রার্থী বাবু

স্টাফ রির্পোটার ঃ আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পদপ্রার্থী হিসেবে নিবার্চনে অংশগ্রহণ করেছেন শাহাদাত হোসেন বাবু। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে তিনি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়,রাস্তা-ঘাটে ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত উঠোন বৈঠক করে আসছেন । সাধারণ জনগনের মনোনীত প্রার্থী তরুন,সৎ, নির্ভীক ও সদা মিষ্টভাষী শাহাদাত হোসেন বাবুকে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে পেতে চায় সাধারণ ভোটাররা। নিবার্চনের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে ঘুড়ি প্রতিকের জনসমর্থনও বেড়ে চলছে । ১১নং ওয়ার্ডে ৩৭ বছর যাবত সফল কাউন্সিলার জমশের আলি ঝন্টু বয়সের কারেণ এলাকাবাসি সেবা দানকারি হিসেবে তার একমাত্র পুত্রকে কাউন্সিলার পদপ্রার্থী করেছে। তরুন শাহাদাত হোসেন বাবুকে ১১নং ওয়ার্ডে নিবার্চনে অংশগ্রহণ করার ফলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয় এক ভোটার জানান, শাহাদাত হোসেন বাবু এর মতো প্রার্থী কাউন্সিলার নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডের সকল মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ। বাবুর পিতাকে গভির রাতে ডাকলেও ঘুম থেকে উঠে মানুষের বিপদে পাশে এসে দাড়াতেন । বাবু ভাল ছেলে ,জন্মের পর থেকে দেখে আসছি।স্বনামধর্ন বংশে জন্মগ্রহণ করে ওর ভিতর কোন প্রকার অহংকার-ঘড়িমা দেখিনি । ছোটকাল থেকেই বড়দের সম্মান এবং ছোটদের ¯েœহ করে থাকে।এই নিবার্চনে দেখছি বাবুর প্রতিদ্ব›দ্ধী প্রার্থী প্রচার-প্রচারনার জন্য বিভিন্ন ওয়ার্ড ওআশে পাশের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টাকার বিনিময়ে লোক সমাগম করে বিশাল বিশাল শোডাউন করছে কিন্তু বাবু জন্য প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছে ১১নং ওয়ার্ডের ভোটাররা তাও আবার নিজের খেয়ে । নিবার্চনের বিষয়ে শাহাদাত হোসেন বাবু বলেন, আমার বাবা দীর্ঘ দিন যাবত ১১নং ওয়াডবাসিদের সেবা করে আসছে । তিনি বয়সজনিত ও অসুস্থার কারণে দূবর্ল হয়ে পড়েছে। তাই তার ও আতœীয়স্বজনদের নির্দেশে এবং এলাকাবাসির সমর্থনে আমি এই নির্বাচনে কাউন্সিলার পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। সাধারণ জনগন যদি আমাকে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে তাহলে আমি শতভাগ দিয়ে তাদের সেবা ও সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। সর্বোপরি আমি এই ১১নং ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছি।