নারায়ণগঞ্জ ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের বদলিজনিত বিদায়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান সৌদিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দূতাবাস: রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদান শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরতে সদর ইউএনও অফিসে অবহিতকরণ সভা ভূমি সেবায় ‘জিরো টলারেন্স’নীতি ঘোষণা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ সহ অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির সোনারগাঁয়ে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতায় উঠান বৈঠক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী নারায়ণগঞ্জে রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা

১৫ আগস্ট এলেই চোখে ভেসে উঠে বঙ্গবন্ধুর ছায়া :আবু বকর সিদ্দিক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১
  • ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু বকর সিদ্দিক। সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট সন্তান বাঙালি জাতির গর্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে দলীয় কাজ করে আসছেন। তৃণমূলে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের কাছে আবুল অবহেলিত। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসলেও তার ভাগ্যে জুটেনি একটি দলীয় পদ। তবু মনে কোন আক্ষেপ না রেখে নিষ্ঠার সাথে দলীয় কাজ করে যাচ্ছেন। জাকজমক পূর্ণভাবে পালন করে আসছেন প্রতিটি জাতীয় দিবস। আসছে বেদনা বিধুর আঙালি জাতির কলঙ্কিত অধ্যায় ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতিও গ্রহণ করছেন তিনি।

জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিন মিয়ার ছোট ভাই আবু বকর সিদ্দিক। ছোট কাল থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিশ্বাসী। ছাত্রজীবন থেকেই করে আসছেন দলীয় কাজ। সহ্য করেছেন বহু অত্যাচার নির্যাতন। তবু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরে যাননি। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের কর্মীহয়ে বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহন লক্ষনীয়। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও দলীয় কর্মসূচি পালনে তার অগ্রহ ও অয়োজন পদধারী নেতাদের চেয়েও নজরকারা। নাসিক ২ নং ওয়ার্ডে আবুলের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। ওই ওয়ার্ডের সকল ব্যক্তিমালিকাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। জনসেবামূলক কাজেও রয়েছে তার সুনাম।

আসছে ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে একান্ত আলাপকালে আবু বকর সিদ্দিক তার রাজনৈতিক জীবনের কথা বলতে গিয়ে আকেগে আপ্লত হয়ে বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে ১৫ আগস্ট পালন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজত বাস করতে হয়েছে। আক্ষেপের সাথে তিনি বলেন, পারাধিনতার শিকল থেকে বাঙালি জাতি যার নেতৃত্বে মুক্ত হয়ে স্বাধীন একটি রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে ফেলি ছোটকাল থেকেই। যেই নেতা স্বাধীনতা এনে দিল সেই মহান নেতাকেই সপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করে ইতিহাসের পাতায় কলঙ্কের অধ্যায় সূচনা করে স্বাধীনা বিরোধী ও ক্ষমতালোভী একটি চক্র। সে কষ্ঠ আজও ভুলতে পারছিনা। তাই ১৫ আগস্ট এলেই চোখে ভেসে উঠে বঙ্গবন্ধুর ছায়া, মনে পড়ে যায় সেই সাতই মার্চের ভাষণ, যা শোনে নিজের বিবেককে জাগ্রত করে স্বরণ করিয়ে দেয় জাতির জনকের সেই কথা “মরতে যখন শিখেছি আমাদের আর কেউ থামিয়ে রাখতে পারবেনা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরো দিব, তবু এই দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ”। হ্যাঁ দেশ মুক্ত হয়ে ঠিকই। তবে আমরা হারিয়েছি সেই মহান নেতাকে। ঘাতক চক্র বঙ্গকন্ধুর নাম মুছে দিতে চাইলে তা পারেনি। তিনি বেঁচে আছেন আমর মত কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে। তাই সেই মাহন নেতার অদর্শ ও অনুপ্রেরনায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বুকে ধারণ করেছি ছাত্রজীবন থেকেই। কোন পদ পেলাম কি পেলামনা, সেই আশা নিয়ে রাজনীতি করিনি। দলকে ভালবেসে কাজ করছি। পদ না পেলেও আমরন দলের কাজ করে যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দলের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার দেশকে যে উন্নয়নের উচ্চ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে, সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে গর্ববোধ করি। তাই মার মত লাখ নেতকর্মীর চেয়ে শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা প্রোয়জন। কারণ, এদেশে যতদিন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব থাকবে বাঙালি জাতির অগ্রগতি কিছুতেই থামবেনা। তাই সর্বদায় শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও মঙ্গলকামনা করি। পাশাপাশি আমার প্রাণপ্রিয় নেতা একে এম শামীম ওসমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদায় প্রস্তুত থাকি।

পরিশেষে তিনি নাসিক ২ নং ওয়ার্ডসহ সকল নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনা করে আমরন যেন দলের কাজ করে যেতে পারেন সেই দোয়া প্রার্থনা করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের

১৫ আগস্ট এলেই চোখে ভেসে উঠে বঙ্গবন্ধুর ছায়া :আবু বকর সিদ্দিক

আপডেট সময় : ০১:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু বকর সিদ্দিক। সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট সন্তান বাঙালি জাতির গর্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে দলীয় কাজ করে আসছেন। তৃণমূলে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের কাছে আবুল অবহেলিত। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসলেও তার ভাগ্যে জুটেনি একটি দলীয় পদ। তবু মনে কোন আক্ষেপ না রেখে নিষ্ঠার সাথে দলীয় কাজ করে যাচ্ছেন। জাকজমক পূর্ণভাবে পালন করে আসছেন প্রতিটি জাতীয় দিবস। আসছে বেদনা বিধুর আঙালি জাতির কলঙ্কিত অধ্যায় ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতিও গ্রহণ করছেন তিনি।

জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিন মিয়ার ছোট ভাই আবু বকর সিদ্দিক। ছোট কাল থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিশ্বাসী। ছাত্রজীবন থেকেই করে আসছেন দলীয় কাজ। সহ্য করেছেন বহু অত্যাচার নির্যাতন। তবু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরে যাননি। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের কর্মীহয়ে বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহন লক্ষনীয়। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও দলীয় কর্মসূচি পালনে তার অগ্রহ ও অয়োজন পদধারী নেতাদের চেয়েও নজরকারা। নাসিক ২ নং ওয়ার্ডে আবুলের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। ওই ওয়ার্ডের সকল ব্যক্তিমালিকাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। জনসেবামূলক কাজেও রয়েছে তার সুনাম।

আসছে ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে একান্ত আলাপকালে আবু বকর সিদ্দিক তার রাজনৈতিক জীবনের কথা বলতে গিয়ে আকেগে আপ্লত হয়ে বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে ১৫ আগস্ট পালন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে জেল হাজত বাস করতে হয়েছে। আক্ষেপের সাথে তিনি বলেন, পারাধিনতার শিকল থেকে বাঙালি জাতি যার নেতৃত্বে মুক্ত হয়ে স্বাধীন একটি রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে ফেলি ছোটকাল থেকেই। যেই নেতা স্বাধীনতা এনে দিল সেই মহান নেতাকেই সপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করে ইতিহাসের পাতায় কলঙ্কের অধ্যায় সূচনা করে স্বাধীনা বিরোধী ও ক্ষমতালোভী একটি চক্র। সে কষ্ঠ আজও ভুলতে পারছিনা। তাই ১৫ আগস্ট এলেই চোখে ভেসে উঠে বঙ্গবন্ধুর ছায়া, মনে পড়ে যায় সেই সাতই মার্চের ভাষণ, যা শোনে নিজের বিবেককে জাগ্রত করে স্বরণ করিয়ে দেয় জাতির জনকের সেই কথা “মরতে যখন শিখেছি আমাদের আর কেউ থামিয়ে রাখতে পারবেনা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরো দিব, তবু এই দেশকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ”। হ্যাঁ দেশ মুক্ত হয়ে ঠিকই। তবে আমরা হারিয়েছি সেই মহান নেতাকে। ঘাতক চক্র বঙ্গকন্ধুর নাম মুছে দিতে চাইলে তা পারেনি। তিনি বেঁচে আছেন আমর মত কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে। তাই সেই মাহন নেতার অদর্শ ও অনুপ্রেরনায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বুকে ধারণ করেছি ছাত্রজীবন থেকেই। কোন পদ পেলাম কি পেলামনা, সেই আশা নিয়ে রাজনীতি করিনি। দলকে ভালবেসে কাজ করছি। পদ না পেলেও আমরন দলের কাজ করে যাব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দলের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার দেশকে যে উন্নয়নের উচ্চ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে, সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে গর্ববোধ করি। তাই মার মত লাখ নেতকর্মীর চেয়ে শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা প্রোয়জন। কারণ, এদেশে যতদিন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব থাকবে বাঙালি জাতির অগ্রগতি কিছুতেই থামবেনা। তাই সর্বদায় শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও মঙ্গলকামনা করি। পাশাপাশি আমার প্রাণপ্রিয় নেতা একে এম শামীম ওসমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদায় প্রস্তুত থাকি।

পরিশেষে তিনি নাসিক ২ নং ওয়ার্ডসহ সকল নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনা করে আমরন যেন দলের কাজ করে যেতে পারেন সেই দোয়া প্রার্থনা করেন।