নারায়ণগঞ্জ ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের বদলিজনিত বিদায়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান সৌদিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দূতাবাস: রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদান শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরতে সদর ইউএনও অফিসে অবহিতকরণ সভা ভূমি সেবায় ‘জিরো টলারেন্স’নীতি ঘোষণা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ সহ অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির সোনারগাঁয়ে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতায় উঠান বৈঠক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী নারায়ণগঞ্জে রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা

মাদকের হটস্পট নারায়ণগঞ্জ!

শহর প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়া কলেজ রোডের বিভিন্ন অলিগলিতে মাদক ব্যবসায়ীরা এখন হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করছেন। এইসব মাদকে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন ভাগিনা মামুন, নাদিম, রাসেল, মিজান মিয়া, সোহাগ, রনিসহ আরো অনেকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগে যিনি একজন চা বিক্রেতা ছিলেন তিনিও জড়িয়ে পড়েছেন ইয়াবা নামক মরণঘাতী নেশার সঙ্গে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে একটাই চা বিক্রি করে আর কতটাকা ইনকাম করা যায়! সর্বোচ্চ ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা। আর কয়েক পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করলে হাজার টাকা ইনকাম হয়। তাছাড়া এই এলাকায় বিভিন্ন অলিগলিতে দূর-দুরান্ত থেকে আসেই অধিকাংশ যুবকরা মাদক কিনতে। কেউ কিনে এখানেই সেবন করে।কেউবা নিয়ে যায় তাদের নিজস্ব গন্তব্য স্থানে। তাদের বিভিন্ন রকমের মাদক কেনার ভরসাই এখন কলেজ রোড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক দোকানদার এ প্রতিবেদককে বলেন, “ভাই গত কয়েক বছরে এতো রমরমা মাদক ব্যবসা এই এলাকায় দেখা যায়নি।এখন যতটা দেখা যায়। এই এলাকার অধিকাংশ যুবকদের এখন ইয়াবা ট্যাবলেট নামক মরণঘাতী নেশা লাগে। রাত যতই ঘনিয়ে আসতে শুরু করে। ততই মনে হয় সকাল হতে থাকে।”

ইয়াসিন নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই এলাকার রিকসার গ্যারেজ থেকে শুরু করে একটু খালি জায়গা পেলেই রাতের অন্ধকারে জমে উঠে নেশার উৎসব। এই এলাকায় পুলিশ, র্যাব, অন্যান্য কর্মকর্তারা তেমন একটা টহল দেয়না। এই জন্য মাদক ব্যবসায়ীরা এইসব এলাকাগুলোকে টার্গেট করে হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করছে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক কলেজ রোডের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “গত কিছু দিন আগে টিভিতে একটি ভিডিও দেখেছি কারওয়ান বাজার এলাকায় কিভাবে মাদক বিক্রি করছেন। বর্তমানে আমাদের এলাকাতেও একই রকমভাবে বিভিন্ন রকমের মাদক অলি-গলিতে বিক্রি করছেন। এমন প্রকাশ্যভাবে করছেন যেন কারওয়ান বাজারের চিত্রকেও হার মানাবে কলেজ রোডের মাদক ব্যবসীরা।”

এই বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত তাদের বিন্দু পরিমান কোন ছাড় দেওয়া হবে না। মাদককে কোন সচেতন মানুষ পছন্দ করে তাই। মাদকে সবাই বয়কট করছে। এই মাদকের জন্য যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আপনি বিষয়টি যেহেতু জানালেন আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের

মাদকের হটস্পট নারায়ণগঞ্জ!

আপডেট সময় : ০৪:২২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

শহর প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়া কলেজ রোডের বিভিন্ন অলিগলিতে মাদক ব্যবসায়ীরা এখন হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করছেন। এইসব মাদকে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন ভাগিনা মামুন, নাদিম, রাসেল, মিজান মিয়া, সোহাগ, রনিসহ আরো অনেকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগে যিনি একজন চা বিক্রেতা ছিলেন তিনিও জড়িয়ে পড়েছেন ইয়াবা নামক মরণঘাতী নেশার সঙ্গে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে একটাই চা বিক্রি করে আর কতটাকা ইনকাম করা যায়! সর্বোচ্চ ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা। আর কয়েক পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করলে হাজার টাকা ইনকাম হয়। তাছাড়া এই এলাকায় বিভিন্ন অলিগলিতে দূর-দুরান্ত থেকে আসেই অধিকাংশ যুবকরা মাদক কিনতে। কেউ কিনে এখানেই সেবন করে।কেউবা নিয়ে যায় তাদের নিজস্ব গন্তব্য স্থানে। তাদের বিভিন্ন রকমের মাদক কেনার ভরসাই এখন কলেজ রোড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক দোকানদার এ প্রতিবেদককে বলেন, “ভাই গত কয়েক বছরে এতো রমরমা মাদক ব্যবসা এই এলাকায় দেখা যায়নি।এখন যতটা দেখা যায়। এই এলাকার অধিকাংশ যুবকদের এখন ইয়াবা ট্যাবলেট নামক মরণঘাতী নেশা লাগে। রাত যতই ঘনিয়ে আসতে শুরু করে। ততই মনে হয় সকাল হতে থাকে।”

ইয়াসিন নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এই এলাকার রিকসার গ্যারেজ থেকে শুরু করে একটু খালি জায়গা পেলেই রাতের অন্ধকারে জমে উঠে নেশার উৎসব। এই এলাকায় পুলিশ, র্যাব, অন্যান্য কর্মকর্তারা তেমন একটা টহল দেয়না। এই জন্য মাদক ব্যবসায়ীরা এইসব এলাকাগুলোকে টার্গেট করে হটস্পট হিসেবে ব্যবহার করছে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক কলেজ রোডের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “গত কিছু দিন আগে টিভিতে একটি ভিডিও দেখেছি কারওয়ান বাজার এলাকায় কিভাবে মাদক বিক্রি করছেন। বর্তমানে আমাদের এলাকাতেও একই রকমভাবে বিভিন্ন রকমের মাদক অলি-গলিতে বিক্রি করছেন। এমন প্রকাশ্যভাবে করছেন যেন কারওয়ান বাজারের চিত্রকেও হার মানাবে কলেজ রোডের মাদক ব্যবসীরা।”

এই বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত তাদের বিন্দু পরিমান কোন ছাড় দেওয়া হবে না। মাদককে কোন সচেতন মানুষ পছন্দ করে তাই। মাদকে সবাই বয়কট করছে। এই মাদকের জন্য যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আপনি বিষয়টি যেহেতু জানালেন আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।”