ব্যবসায়ীক সুবিধা বঞ্চিত মহলের ষড়যন্ত্রে সাধারণ ফারুক অসাধারণ হয়ে উঠছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে আলোচিত হয়ে উঠঠে ইপিজেড ব্যবসায়ী মো: ফারুক। সাধারণ এই ফারুক অসাধারণ হয়ে পড়ছে একটি মহলের ষড়যন্ত্র আর মিডিয়ার কল্যাণে। যুবলীগের জাননীতির সাথে জড়িত ফারুক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এমন প্রচারণা চলছে ব্যাপক ভাবে। অথচ প্রশাসন নিরব। ফারুক যদি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হয় তাহলে প্রশাসন তাকে গ্রেপ্তার করছেনা কেন এই প্রশ্ন সচেতন মহলের। আসলেই কি ফারুক মাদক ব্যবসায়ী না কি মিথ্যা প্রচারণার শিকার তাও আলোচনায় উঠে এসেছে।
পর্যবেক্ষক মহলের মতে, ফারুক এত বড় মাদক ব্যবসায়ী হয়েও কি করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে প্রতিয়মান হয় ফারুকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা বানোয়াট। নয়ত ফারুক খুবই ক্ষমতাধর। দেশের বর্তমান প্রেক্ষপটে ফারুক ক্ষমতাধর এটাও মেনে নিতে পারছেনা বিজ্ঞ মহল। কারণ সম্প্রতি সময়ে অনেক বড় বড় প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের তুলনায় ফারুক তুচ্ছ। তাহলে কারা সেই ষড়যন্ত্রকারী। তা জানতে ফারুকের সাথে কথা বলে জানা গেছে একটি বিশেষ পেশার লোকজনের কথা। যারা একসময় ফারুকের সাথে ব্যবসা করে আর্থিক সুবিধা ভোগ করতো।
যুবলীগ নেতা ফারুক বলেন, আদমজী ইপিজেড প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আমি মেসার্স আকাশ এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে ব্যবসা করে আসছি। আমি যুবলীগের ১ নং ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি। এক নং ওয়ার্ডের যুবলীগের কার্যালয়টি থানা যুবলীগের আহবায়ক নাসিক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি উদ্বোধন করেছেন। অথচ এই কার্যালয় নিয়েও করা হচ্ছে মিথ্যাচার। আমাকে বানানো হচ্ছে থানা এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। থানার কোন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হলেও একটি মহল তাকে আমার সহযোগী বানিয়ে প্রচার চালায়। অথচ তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি যদি এত বড় মাদক ব্যবসায়ী হতাম তাহলে প্রশাসন বসে আঙ্গুল চোষতনা। আমি এমন কিছু হয়ে যাইনি যে প্রশাসন আমাকে ধরতে পারবেনা। প্রকৃতপক্ষে আমি মিথ্যা ষড়যন্ত্রের শিকার।
কারা সেই ষড়যন্ত্রকারী জানতে চাইলে ফারুক কারো নাম প্রকাশ না করে বলেন, একসময় কিছু লোক আমার সাথে ইপিজেডে ব্যবসা করতো। আমার মাধ্যমে তারা আর্থিক সুবিধা ভোগ করতো। তাদের অনেকই বিশেষ পেশার লোক। কিন্ত সময়ের প্রেক্ষপটে তাদের সাথে আমি ব্যবসা ছিন্ন করি। এতেই তারা আমার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাকে ঘায়েল করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তাদেও সুবিধা করতে না পেরে আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বানানোর মিশনে নেমেছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি মাদকের সাথে আমার কোন যোগসুত্র নেই। যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তারা রাজনৈতিক কারণে আমার সাথে বা অফিসে আসা যাওয়া করতো। তার অর্থ এই নয় আমিও মাদক ব্যবসায়ী। রাজনৈতিক কারণে এক সাথে চলা আর ব্যক্তিগত বিষয় এক নয়। তাছাড়া তারা মাদক ব্যবসায় জড়িত ভিষয়টি আমার জানা ছিলনা। জানলে কখনো আমার আশপাশে আসতে পারতোনা।
পরিশেষ ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে ফারুক বলেন, মিথ্যা কখনো সত্য হয়না। তাই এসব মিথ্য ষড়যন্ত্র আর অপপ্রচার বন্ধ করেন। নয়ত একদিন নিজের খোঁড়া গর্তে নিজেই পড়তে হবে।