নারায়ণগঞ্জ ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা রূপগঞ্জে সিটি গ্রুপের অটো রাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ শ্রমিক নারায়ণগঞ্জ জেল কর্তৃপক্ষের কাছে জিম্মি বন্দিরা অর্থিক বাণিজ্যের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ আড়াইহাজারে কবি নজরুল কলেজের বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন এ্যানি ও ব্যারিস্টার খোকনের পক্ষে নোয়াখালী ফোরামের প্রতিবাদ বার্তা ঐক্য-শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম জোরদারে রিয়াদে বাপ্রসাফের গুরুত্বপূর্ণ সভা রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পার্থের নতুন দায়িত্বে প্রবাসীদের আশা পূরণের প্রত্যাশা মালয়েশিয়া বিজেপির

ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

ফতুল্লা প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়ায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নি (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাপাতি ও একটি ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলির নিজ বাড়ি থেকে ফারজানা আক্তার মুন্নিকে গ্রেফতার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি (৪১) ঢাকার কদমতলী থানার ঢালকানগর বৈশাখী হাউজিং এলাকার আব্দুস শাকুরের ছেলে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, গ্রেফতার হওয়া ফারজানা আক্তার মুন্নির দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি। একসময় জনি মুন্নির প্রথম স্বামীর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে প্রায় পাঁচ বছর আগে মুন্নি প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে জনিকে বিয়ে করেন এবং দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।

তিনি আরো জানান, জাহাঙ্গীর আলম জনি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বারে চাকরি করতেন। এ কারণে অন্য নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয় এবং এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রোববার রাতে খাবারের সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ানো হয়। পরে গভীর রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে এবং দুই হাতের রগ কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি ও ছুরি জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে চুনের সাথে রাসায়নিক বর্জ্য মিশাচ্ছে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা

ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ফতুল্লা প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়ায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নি (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাপাতি ও একটি ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলির নিজ বাড়ি থেকে ফারজানা আক্তার মুন্নিকে গ্রেফতার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি (৪১) ঢাকার কদমতলী থানার ঢালকানগর বৈশাখী হাউজিং এলাকার আব্দুস শাকুরের ছেলে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, গ্রেফতার হওয়া ফারজানা আক্তার মুন্নির দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি। একসময় জনি মুন্নির প্রথম স্বামীর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে প্রায় পাঁচ বছর আগে মুন্নি প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে জনিকে বিয়ে করেন এবং দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।

তিনি আরো জানান, জাহাঙ্গীর আলম জনি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বারে চাকরি করতেন। এ কারণে অন্য নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয় এবং এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রোববার রাতে খাবারের সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ানো হয়। পরে গভীর রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চাপাতি দিয়ে গলা কেটে এবং দুই হাতের রগ কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি ও ছুরি জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।