সংবাদ শিরোনাম ::

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি মোঃজাফর ইকবালের গভীর শ্রদ্ধা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :শোকাবহ ২১শে আগস্ট। এই দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূণ্য করতে আরেকটি ঘৃণিত হামলা চালানো হয়। সেদিন গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন নেতা-কর্মীর জীবন কেড়ে নেয়া হয়। এ দিবসটি কলংকের, শোকের ও বেদনার।

এ শোক দিবস উপলক্ষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের মানবিক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশর বৃহত্তর শিল্প প্রতিষ্ঠান আল- মোস্তফা গ্রুপের সম্মানিত পরিচালক মোঃ জাফর ইকবাল এক বিবৃতিতে জানান, ২১ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলংকজনক দিন। সেদিন ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের চলমান সভায় গ্রেনেড হামলা করে আমাদের প্রিয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই ভয়ানক গ্রেনেড হামলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও সেদিন ২৪টি তাজা প্রাণ ঝড়ে পড়ে।

ঘাতকদের বোমার আঘাতে সেদিন মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মীনি আইভী রহমান সহ আ’লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৪ জন নেতা কর্মী নিহত ও পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মী আহত হন।

গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমি সরকারের কাছে জোড়ালো অনুরোধ রাখব, এ নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদেরকে কঠিন শাস্তি দিয়ে জাতিকে কলংকমুক্ত করা হোক।

এই শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্য ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি’।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আড়াইহাজারে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি মোঃজাফর ইকবালের গভীর শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

নিউজ ডেস্ক :শোকাবহ ২১শে আগস্ট। এই দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূণ্য করতে আরেকটি ঘৃণিত হামলা চালানো হয়। সেদিন গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন নেতা-কর্মীর জীবন কেড়ে নেয়া হয়। এ দিবসটি কলংকের, শোকের ও বেদনার।

এ শোক দিবস উপলক্ষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের মানবিক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশর বৃহত্তর শিল্প প্রতিষ্ঠান আল- মোস্তফা গ্রুপের সম্মানিত পরিচালক মোঃ জাফর ইকবাল এক বিবৃতিতে জানান, ২১ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলংকজনক দিন। সেদিন ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের চলমান সভায় গ্রেনেড হামলা করে আমাদের প্রিয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই ভয়ানক গ্রেনেড হামলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও সেদিন ২৪টি তাজা প্রাণ ঝড়ে পড়ে।

ঘাতকদের বোমার আঘাতে সেদিন মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মীনি আইভী রহমান সহ আ’লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৪ জন নেতা কর্মী নিহত ও পাঁচ শতাধীক নেতা-কর্মী আহত হন।

গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমি সরকারের কাছে জোড়ালো অনুরোধ রাখব, এ নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদেরকে কঠিন শাস্তি দিয়ে জাতিকে কলংকমুক্ত করা হোক।

এই শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্য ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি’।