নারায়ণগঞ্জ ০৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার আহ্বান ডিসির জেলাবাসীর দাবি এসপি শুধু বস্তিতে নয়,অপরাধীদেরপৃষ্ঠপোষক ও গডফাদারদেরও ধরতে হবে সোনারগাঁয়ে মাদকসেবীর ৩ মাসের কারাদণ্ড, সংশোধনের জন্য কুরআন শরীফ প্রদান নবাগত এসপির কাছে যানজট,ছিনতাই,চাঁদাবাজ মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পরিবর্তন চান নারায়ণগঞ্জবাসী কাঁচপুর-ইলিশা ফেরি চালু, বাড়ছে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের সম্ভাবনা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সদরে উপজেলার ১৫৮ স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা অভিযান রূপগঞ্জে চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার – ২ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায় সোনারগাঁয়ে মাদকের আস্তানায় পুলিশের হানা উদ্ধার গাঁজা-ইয়াবা, আটক ৩০ রূপগঞ্জে মাদকের অপরাধে ১৯ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড

সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন পরিকল্পিত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ৩৩০ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে ফজর আলী গার্ডেন সিটির পঁঞ্চম তলায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলেছেন মার্কেট মালিক চাঁন মিয়া। গতকাল বুধবার বিকেল পাঁচটায় মার্কেট প্রাঙ্গনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এঅভিযোগ তুলেন। তার আগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভবনটির পরিচালক প্রশাসন মো: শহিদুল ইসলাম।
সাংসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চাঁন মিয়া বলেন, ভবনটির পঞ্চম তলায় মেসার্স এম,এস এন্টারপ্রাইজ ও মহিকন অ্যাপারেলস নামে দুই পোশাক কারখানা পরিচালনা করছেন মো: মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। গত সাত জুন রাত পৌনে বারোটায় কারখানাটিতে আগুন লাগে। অগ্নিকান্ডের আগে ও পরে মালিক পক্ষের ভুমিকায় প্রতিয়মান হচ্ছে বিশেষ কোন সুবিধা আদায়ের জন্য পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে কারখানা মালিক পক্ষ।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেল পাঁচটায় কারখানা ছুটি হয়। এর পর বাহির থেকে বিদ্যুতের মেইন চুইজ বন্ধ করে দিয়ে কর্তপক্ষের সবাই চলে যায়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা মালিক মহিউদ্দিন আসে ম্যানেজার ও পিএমকে ফোন করে কারখানায় আনেন। তারা আসার পর কারখানায় থাকা ব্যাংক ও বীমাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্রের ফাইল সরিয়ে নিয়ে রাত আটটায় পিএম চলে যান। পরে ম্যানেজার আনোয়ার ও মালিক মহিউদ্দিন রাত নয়টায় কারখানা থেকে বের হন। ওই দিন রাতে কারখানার নিজস্ব কোন নিরাপত্তাকর্মী ছিলনা। অগ্নিকান্ডের পরদিন মালিকপক্ষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু করেন। অবস্থায় দশ জুন রাত সাড়ে নয়টায় আবার ওই কারখানায় আগুন লাগে। পূর্বের ন্যায় ওই দিনও কারখানা তালাবদ্ধ ছিল। তখন মার্কেটের সকল ব্যবসায়ীরা আবার তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। দুইবার আগুন লাগার বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই আগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি থানা সাধারণ ডায়েরী করেছি। কারখানা মালিক পক্ষের কথাবার্তা ও আচরণে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর সন্দেহ হওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভবনটির তৃতীয় তলার গ্রেন্ডতাজ পার্টি সেন্টারের পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম, দ্বিতীয় তলার এস,আলম ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মো: ইব্রাহীম খলিল, নিচতলার এলজি বাটারপ্লাই সু-রোমের ম্যানেজর মো: সাইফুল ইসলাম ও পারটেক্স ক্যাবলের ম্যানেজার জালাল উদ্দিন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার আহ্বান ডিসির

সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন পরিকল্পিত

আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে ফজর আলী গার্ডেন সিটির পঁঞ্চম তলায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলেছেন মার্কেট মালিক চাঁন মিয়া। গতকাল বুধবার বিকেল পাঁচটায় মার্কেট প্রাঙ্গনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এঅভিযোগ তুলেন। তার আগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভবনটির পরিচালক প্রশাসন মো: শহিদুল ইসলাম।
সাংসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চাঁন মিয়া বলেন, ভবনটির পঞ্চম তলায় মেসার্স এম,এস এন্টারপ্রাইজ ও মহিকন অ্যাপারেলস নামে দুই পোশাক কারখানা পরিচালনা করছেন মো: মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। গত সাত জুন রাত পৌনে বারোটায় কারখানাটিতে আগুন লাগে। অগ্নিকান্ডের আগে ও পরে মালিক পক্ষের ভুমিকায় প্রতিয়মান হচ্ছে বিশেষ কোন সুবিধা আদায়ের জন্য পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে কারখানা মালিক পক্ষ।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেল পাঁচটায় কারখানা ছুটি হয়। এর পর বাহির থেকে বিদ্যুতের মেইন চুইজ বন্ধ করে দিয়ে কর্তপক্ষের সবাই চলে যায়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা মালিক মহিউদ্দিন আসে ম্যানেজার ও পিএমকে ফোন করে কারখানায় আনেন। তারা আসার পর কারখানায় থাকা ব্যাংক ও বীমাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্রের ফাইল সরিয়ে নিয়ে রাত আটটায় পিএম চলে যান। পরে ম্যানেজার আনোয়ার ও মালিক মহিউদ্দিন রাত নয়টায় কারখানা থেকে বের হন। ওই দিন রাতে কারখানার নিজস্ব কোন নিরাপত্তাকর্মী ছিলনা। অগ্নিকান্ডের পরদিন মালিকপক্ষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু করেন। অবস্থায় দশ জুন রাত সাড়ে নয়টায় আবার ওই কারখানায় আগুন লাগে। পূর্বের ন্যায় ওই দিনও কারখানা তালাবদ্ধ ছিল। তখন মার্কেটের সকল ব্যবসায়ীরা আবার তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। দুইবার আগুন লাগার বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই আগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি থানা সাধারণ ডায়েরী করেছি। কারখানা মালিক পক্ষের কথাবার্তা ও আচরণে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর সন্দেহ হওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভবনটির তৃতীয় তলার গ্রেন্ডতাজ পার্টি সেন্টারের পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম, দ্বিতীয় তলার এস,আলম ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মো: ইব্রাহীম খলিল, নিচতলার এলজি বাটারপ্লাই সু-রোমের ম্যানেজর মো: সাইফুল ইসলাম ও পারটেক্স ক্যাবলের ম্যানেজার জালাল উদ্দিন।