নারায়ণগঞ্জ ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন, নারায়ণগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ সংকট কালের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তাবিত বাজেট সন্তোষজনক:বিকেএমইএ নারায়ণগঞ্জে প্রধান নিষ্কাশন খালের তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জমি উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন থেকে ৮ দিনব্যাপী বিতর্ক উৎসব, অংশ নিচ্ছে ৬৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি যুবদল নেতার দখলে থাকা তাঁতি লীগ নেতার অফিস এখন মাদকের আখড়া! নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন পরিকল্পিত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে ফজর আলী গার্ডেন সিটির পঁঞ্চম তলায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলেছেন মার্কেট মালিক চাঁন মিয়া। গতকাল বুধবার বিকেল পাঁচটায় মার্কেট প্রাঙ্গনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এঅভিযোগ তুলেন। তার আগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভবনটির পরিচালক প্রশাসন মো: শহিদুল ইসলাম।
সাংসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চাঁন মিয়া বলেন, ভবনটির পঞ্চম তলায় মেসার্স এম,এস এন্টারপ্রাইজ ও মহিকন অ্যাপারেলস নামে দুই পোশাক কারখানা পরিচালনা করছেন মো: মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। গত সাত জুন রাত পৌনে বারোটায় কারখানাটিতে আগুন লাগে। অগ্নিকান্ডের আগে ও পরে মালিক পক্ষের ভুমিকায় প্রতিয়মান হচ্ছে বিশেষ কোন সুবিধা আদায়ের জন্য পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে কারখানা মালিক পক্ষ।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেল পাঁচটায় কারখানা ছুটি হয়। এর পর বাহির থেকে বিদ্যুতের মেইন চুইজ বন্ধ করে দিয়ে কর্তপক্ষের সবাই চলে যায়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা মালিক মহিউদ্দিন আসে ম্যানেজার ও পিএমকে ফোন করে কারখানায় আনেন। তারা আসার পর কারখানায় থাকা ব্যাংক ও বীমাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্রের ফাইল সরিয়ে নিয়ে রাত আটটায় পিএম চলে যান। পরে ম্যানেজার আনোয়ার ও মালিক মহিউদ্দিন রাত নয়টায় কারখানা থেকে বের হন। ওই দিন রাতে কারখানার নিজস্ব কোন নিরাপত্তাকর্মী ছিলনা। অগ্নিকান্ডের পরদিন মালিকপক্ষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু করেন। অবস্থায় দশ জুন রাত সাড়ে নয়টায় আবার ওই কারখানায় আগুন লাগে। পূর্বের ন্যায় ওই দিনও কারখানা তালাবদ্ধ ছিল। তখন মার্কেটের সকল ব্যবসায়ীরা আবার তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। দুইবার আগুন লাগার বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই আগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি থানা সাধারণ ডায়েরী করেছি। কারখানা মালিক পক্ষের কথাবার্তা ও আচরণে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর সন্দেহ হওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভবনটির তৃতীয় তলার গ্রেন্ডতাজ পার্টি সেন্টারের পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম, দ্বিতীয় তলার এস,আলম ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মো: ইব্রাহীম খলিল, নিচতলার এলজি বাটারপ্লাই সু-রোমের ম্যানেজর মো: সাইফুল ইসলাম ও পারটেক্স ক্যাবলের ম্যানেজার জালাল উদ্দিন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা

সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন পরিকল্পিত

আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে ফজর আলী গার্ডেন সিটির পঁঞ্চম তলায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলেছেন মার্কেট মালিক চাঁন মিয়া। গতকাল বুধবার বিকেল পাঁচটায় মার্কেট প্রাঙ্গনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এঅভিযোগ তুলেন। তার আগে কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভবনটির পরিচালক প্রশাসন মো: শহিদুল ইসলাম।
সাংসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চাঁন মিয়া বলেন, ভবনটির পঞ্চম তলায় মেসার্স এম,এস এন্টারপ্রাইজ ও মহিকন অ্যাপারেলস নামে দুই পোশাক কারখানা পরিচালনা করছেন মো: মহিউদ্দিন ভূঁইয়া। গত সাত জুন রাত পৌনে বারোটায় কারখানাটিতে আগুন লাগে। অগ্নিকান্ডের আগে ও পরে মালিক পক্ষের ভুমিকায় প্রতিয়মান হচ্ছে বিশেষ কোন সুবিধা আদায়ের জন্য পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছে কারখানা মালিক পক্ষ।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিকেল পাঁচটায় কারখানা ছুটি হয়। এর পর বাহির থেকে বিদ্যুতের মেইন চুইজ বন্ধ করে দিয়ে কর্তপক্ষের সবাই চলে যায়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে কারখানা মালিক মহিউদ্দিন আসে ম্যানেজার ও পিএমকে ফোন করে কারখানায় আনেন। তারা আসার পর কারখানায় থাকা ব্যাংক ও বীমাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্রের ফাইল সরিয়ে নিয়ে রাত আটটায় পিএম চলে যান। পরে ম্যানেজার আনোয়ার ও মালিক মহিউদ্দিন রাত নয়টায় কারখানা থেকে বের হন। ওই দিন রাতে কারখানার নিজস্ব কোন নিরাপত্তাকর্মী ছিলনা। অগ্নিকান্ডের পরদিন মালিকপক্ষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু করেন। অবস্থায় দশ জুন রাত সাড়ে নয়টায় আবার ওই কারখানায় আগুন লাগে। পূর্বের ন্যায় ওই দিনও কারখানা তালাবদ্ধ ছিল। তখন মার্কেটের সকল ব্যবসায়ীরা আবার তালা ভেঙে আগুন নিয়ন্ত্রন করেন। দুইবার আগুন লাগার বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই আগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি থানা সাধারণ ডায়েরী করেছি। কারখানা মালিক পক্ষের কথাবার্তা ও আচরণে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর সন্দেহ হওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভবনটির তৃতীয় তলার গ্রেন্ডতাজ পার্টি সেন্টারের পরিচালক মো: শহিদুল ইসলাম, দ্বিতীয় তলার এস,আলম ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মো: ইব্রাহীম খলিল, নিচতলার এলজি বাটারপ্লাই সু-রোমের ম্যানেজর মো: সাইফুল ইসলাম ও পারটেক্স ক্যাবলের ম্যানেজার জালাল উদ্দিন।