বন্দরে অনুমোদনহীন ৫ কয়েল কারখানায় র‌্যাবের অভিযান : ৫ জনকে কারাদন্ড কারখানা সীলগালা

স্টাফ রিপোর্টার : বন্ধরে অনুমোনহীন ৫ টি মশার কয়েল তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ৫ জনকে ১ বছর করে কারাদন্ড প্রদান ও কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার ( ৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টা হতে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত উপজেলার ধামগড় এলাকায় র‌্যাব-১১ এ অভিযান চালায়।
অভিযানে সেবা কর্পোরেশন, শারমিন কেমিক্যাল, সাব্বির কেমিক্যাল ওয়াকর্স, বিবি এন্টারপ্রাইজ ও শাহেলা ট্রেডিং নামক ৫টি মশার কয়েল তৈরীর কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এসময় মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০),মোঃ আকাশ(২২),মোঃ সাইদুর রহমান(২৩),শ্রী টোকন সরকার(২৯) ও মোঃ সাইদুল ইসলাম(৩৯) নামে ৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৫টি কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ব্রান্ডের কয়েল জব্দ করা হয়। পরে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ধৃতদের প্রত্যেককে ১ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করেন। নির্বাবী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর আদালত এ রায় দেন। পাশাপাশি কারখানাগুলোকে সীলগালা করে দেয় আদালত।
র‌্যাব-১১ এর আতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএম স্বক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, উক্ত ৫টি কারখানায় দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে অনুমোদন বিহীন ভেজাল কয়েল উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। সেবা কর্পোরেশন এর সিভিল ম্যাজিক, এ-টু-জেড ও গাজী পাওয়ার জাম্বো মশার কয়েল, শারমিন কেমিক্যাল এর তারা ও চমক মশার কয়েল, সাব্বির কেমিক্যাল ওয়ার্কস এর গুড ফাইট মশার কয়েল, বিবি এন্টার প্রাইজ এর ওয়ান স্টার, লাওন ম্যাক্স, তুলশী পাতা ও আইকন পাওয়ার মশার কয়েল শাহেলা ট্রেডিং এর এ্যাকটিভ ও বিঘো মশার কয়েলসহ ইত্যাদি বিভিন্ন খ্যাতিসম্পন্ন ব্রান্ডের নামে মশার কয়েল তৈরী ও প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করে আসছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনকৃত কয়েলগুলি নিন্মমানের যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই অননুমোদিত ভেজাল কয়েল উৎপাদন করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছেছিল মালিকরা। তাছাড়া কারখানা ৫টিতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সম্পত্তির ব্যাপক তি সাধন করে আসছিল। তিতাস গ্যাস কোম্পানীর টেকনিশিয়ানের প্রাক্কলনে দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে উক্ত কারখানাগুলোর প্রত্যেকটি অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সম্পত্তির তি সাধন করেছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীদেরকে জেল কারাগারে প্রেরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অবৈধ গ্যাস সংযোগসহ র‌্যাবের ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।