কাশেমীর যোগ্যতার পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কি না- শামীম ওসমান

স্টাফ রির্পোটার ঃ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত পার্থী একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ একটা বিশাল জায়গা। আমার আসনেই ভোট আছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার। এর মধ্যে কে কার লোক এটা বুঝা খুব ডিফিকাল্ট। আমার সাথে বিএনপির সবারই যোগাযোগ আছে। এবং গত ১০ বছরের ৫ বছর আমি ছিলাম না। এই ৫ বছর আমি আছি। আমি থাকা অবস্থায় প্লাস না থাকা অবস্থায় কারো শরীরে একটা ফুলের টোক্কা দিতে দেই নাই। শক্তি প্রয়োগ এটা ওটা আমি এগুলো বিশ্বাস করি না। আগে বিশ্বাস করতাম।

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) ফতুল­া থানার পঞ্চবটী ডালডা গেট সংলগ্ন মৌসুমী ভেজিটেবল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির যারা প্রার্থী ছিলেন তারা অসম্ভব ভাল প্রার্থী ছিলেন। শাহ আলম অত্যন্ত ভাল ছেলে, ভদ্র ছেলে, একটা ভাল ভদ্র ফ্যামিলির ছেলে। কিন্তু আমার আসনে যাকে দেয়া হইছে আমি বলবো না তাকে অযোগ্য। তার অবশ্যই যোগ্যতা আছে। তা না হইলে বিএনপির এত বড় বড় নেতা থাকতে তাকে দিল কেন? নিশ্চয়ই তার যোগ্যতা আছে। কিন্তু অসুবিধা হচ্ছে এই যোগ্যতার পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কি না! আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশে কিছু হামলা হবে। নারায়ণগঞ্জে এই বাহিনী ডুকেছে। আমি নারায়নগঞ্জের ছোট খাট বিষয় নিয়ে চিন্তা করি না। আমি ন্যাশনাল পলিটিক্স নিয়ে চিন্তা করি। তবে এটা নিশ্চিত থাকেন শেখ হাসিনাই আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন।

তিনি আরো বলেন, জামাত একটা জিনিস, শিবির এক জিনিস, জঙ্গী আরেক জিনিস বিএনপি আরেক জিনিস। বিএনপি একটা মাল্টিক্লাস অর্গানাইজেশন। বিএনপিতে ভাল লোকও আছে খারাপ লোক ও আছে। আওয়ামীলীগেও ভাল লোক আছে খারাপ লোকও আছে। আমরা ভাল মানুষ গুলোকে নিয়ে কাজ করতে চাই। ভাল কাজ করতে হলে ভাল মানুষ দরকার। খারাপ কাজ করতে হলে খারাপ মানুষ দরকার। এটা হলো সবচেয়ে বড় কথা।

তিনি আরো বলেন, দেখেন আমি কিন্তু কাপড় চোপড় বদলায় লাইছি। চেহারার মধ্যে কোন ক্লান্তির ছাপ নাই। রাজনীতি হলো একটা অঙ্ক। আমি অঙ্ক খুব ভাল বুঝি। ২০০১ এও আমি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলাম। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলাম। এবং আমার প্রতিদ্বন্দ্বী গিয়াস ভাই কিন্তু বলছিল আমি নির্বাচন মানি না। আসলে উনি জানেই না কি হইছে। আল­াহর অশেষ রহমতে সেদিন আমাকে পরাজিত ঘোষনা করা হয়। কারণ ঐ নির্বাচনের জন্যই আজকে আমি যেভাবে সবকিছু চিন্তা করি আগে সেভাবে চিন্তা করতাম না।

তিনি আরো বলেন, আমি শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে দেশের কিছু বড় বড় বিজনেসম্যানের সাথে প্রতিনিধি হিসেবে বসছিলাম। কারণ আমার যা স্বপ্ন তা আমি আগে থেকেই কাজ করতে চাই। কালকের জন্য আমি রাখি না। আপনারা জানলে খুশি হবেন, গভমেন্ট টু গভমেন্ট চুক্তি হয়ে গেছে। সিঙ্গাপুরের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছে। চুক্তিটা হলো, নারায়ণগঞ্জের ফতুল­া-সিদ্ধিরগঞ্জসহ ইনার সিটিতে ইলেক্ট্রনিক ট্রেন হবে। ঢাকার থেকেও সুন্দর করবো নারায়ণগঞ্জকে।

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে তারা সমান অধিকারে রাজনীতি করে। এটা খুবই দুঃখ জনক ও লজ্জাজনক। আপনারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন কিন্তু এখনো আপনারা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখনো আপনাদের বলতে হয় আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি এটা খুবই লজ্জার ব্যাপার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী, ফতুল­া থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফুল­াহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক সওকত আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভ‚ইয়া সাজনু, ফতুল­া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম সেন্টু, এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙিস, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও যুবলীগ নেতা এহসানুল নিপু সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন দলের নেত্রীবৃন্দ।নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত পার্থী একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ একটা বিশাল জায়গা। আমার আসনেই ভোট আছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার। এর মধ্যে কে কার লোক এটা বুঝা খুব ডিফিকাল্ট। আমার সাথে বিএনপির সবারই যোগাযোগ আছে। এবং গত ১০ বছরের ৫ বছর আমি ছিলাম না। এই ৫ বছর আমি আছি। আমি থাকা অবস্থায় প্লাস না থাকা অবস্থায় কারো শরীরে একটা ফুলের টোক্কা দিতে দেই নাই। শক্তি প্রয়োগ এটা ওটা আমি এগুলো বিশ্বাস করি না। আগে বিশ্বাস করতাম।

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) ফতুল­া থানার পঞ্চবটী ডালডা গেট সংলগ্ন মৌসুমী ভেজিটেবল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির যারা প্রার্থী ছিলেন তারা অসম্ভব ভাল প্রার্থী ছিলেন। শাহ আলম অত্যন্ত ভাল ছেলে, ভদ্র ছেলে, একটা ভাল ভদ্র ফ্যামিলির ছেলে। কিন্তু আমার আসনে যাকে দেয়া হইছে আমি বলবো না তাকে অযোগ্য। তার অবশ্যই যোগ্যতা আছে। তা না হইলে বিএনপির এত বড় বড় নেতা থাকতে তাকে দিল কেন? নিশ্চয়ই তার যোগ্যতা আছে। কিন্তু অসুবিধা হচ্ছে এই যোগ্যতার পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কি না! আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশে কিছু হামলা হবে। নারায়ণগঞ্জে এই বাহিনী ডুকেছে। আমি নারায়নগঞ্জের ছোট খাট বিষয় নিয়ে চিন্তা করি না। আমি ন্যাশনাল পলিটিক্স নিয়ে চিন্তা করি। তবে এটা নিশ্চিত থাকেন শেখ হাসিনাই আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন।

তিনি আরো বলেন, জামাত একটা জিনিস, শিবির এক জিনিস, জঙ্গী আরেক জিনিস বিএনপি আরেক জিনিস। বিএনপি একটা মাল্টিক্লাস অর্গানাইজেশন। বিএনপিতে ভাল লোকও আছে খারাপ লোক ও আছে। আওয়ামীলীগেও ভাল লোক আছে খারাপ লোকও আছে। আমরা ভাল মানুষ গুলোকে নিয়ে কাজ করতে চাই। ভাল কাজ করতে হলে ভাল মানুষ দরকার। খারাপ কাজ করতে হলে খারাপ মানুষ দরকার। এটা হলো সবচেয়ে বড় কথা।

তিনি আরো বলেন, দেখেন আমি কিন্তু কাপড় চোপড় বদলায় লাইছি। চেহারার মধ্যে কোন ক্লান্তির ছাপ নাই। রাজনীতি হলো একটা অঙ্ক। আমি অঙ্ক খুব ভাল বুঝি। ২০০১ এও আমি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলাম। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলাম। এবং আমার প্রতিদ্বন্দ্বী গিয়াস ভাই কিন্তু বলছিল আমি নির্বাচন মানি না। আসলে উনি জানেই না কি হইছে। আল­াহর অশেষ রহমতে সেদিন আমাকে পরাজিত ঘোষনা করা হয়। কারণ ঐ নির্বাচনের জন্যই আজকে আমি যেভাবে সবকিছু চিন্তা করি আগে সেভাবে চিন্তা করতাম না।

তিনি আরো বলেন, আমি শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে দেশের কিছু বড় বড় বিজনেসম্যানের সাথে প্রতিনিধি হিসেবে বসছিলাম। কারণ আমার যা স্বপ্ন তা আমি আগে থেকেই কাজ করতে চাই। কালকের জন্য আমি রাখি না। আপনারা জানলে খুশি হবেন, গভমেন্ট টু গভমেন্ট চুক্তি হয়ে গেছে। সিঙ্গাপুরের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছে। চুক্তিটা হলো, নারায়ণগঞ্জের ফতুল­া-সিদ্ধিরগঞ্জসহ ইনার সিটিতে ইলেক্ট্রনিক ট্রেন হবে। ঢাকার থেকেও সুন্দর করবো নারায়ণগঞ্জকে।

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে তারা সমান অধিকারে রাজনীতি করে। এটা খুবই দুঃখ জনক ও লজ্জাজনক। আপনারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন কিন্তু এখনো আপনারা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, এখনো আপনাদের বলতে হয় আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি এটা খুবই লজ্জার ব্যাপার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী, ফতুল­া থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফুল­াহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক সওকত আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভ‚ইয়া সাজনু, ফতুল­া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম সেন্টু, এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙিস, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও যুবলীগ নেতা এহসানুল নিপু সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন দলের নেত্রীবৃন্দ।