সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচানের আগেই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা : ওসি আব্দুল বারিক শিপুকে সভাপতি জাবেদকে সম্পাদক করে নাসিক ৩ নং ওয়ার্ড কৃষকদলের কমিটি গঠন সোনারগাঁওয়ে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে বাৎসরিক ছুটি ভাতার দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন, নোটিশ টানিয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা মালিকপক্ষের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গুলি করা সেই সোহাগ দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার-৪ নারায়ণগঞ্জ শহরে বাবুর্চিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূবৃত্তিরা পবিত্র ওমরা পালন শেষে দেশে ফিরলেন নজরুল ইসলাম আজাদ Πραγματική απόλαυση παιχνιδιού στα πιο αξιόπιστα καζίνο online Step into creative casino adventures full of colorful surprises

ফতুল্লা রেল স্টেশন সমস্যায় জর্জারিত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৮৫৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-নারায়গঞ্জ রেলওয়ে পথে অন্যতম গুরুত্তপুর্ন স্টেশন হল এই ফতুল্লা রেল স্টেশন। এটি ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত হয়েছে যা এই আজো ফতুল্লার মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ এই স্টেশন থেকে যাতায়াত করে, যাদের ভেতর অধিকাংশই নিয়মিত চাকুরীজীবী ও বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র। কিন্তু এই স্টেশনের মাধ্যমে যাতায়াতরত মানুষের দুর্ভোগ এর শেষ নেই। প্রায় ৫ বছর ধরে নিয়মিত যাতায়াতরত যাত্রী আনোয়ার হোসেন(২৪) বলেন এই স্টেশনে যাত্রী সুবিধা নেই বললেই চলে, এখানে পর্যাপ্ত বসার স্থান নেই এমন কি অফিস টাইমে দাঁড়ানের স্থানও থাকে না। বসার স্থান যেগুলো আছে তা পর্যাপ্ত নয় এবং সামান্য বৃষ্টিতে উপরের টিনের ছিদ্র থেকে পানি পড়ে সিট ভিজে থাকে। অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী রাহিমু মাহিন(২০) অভিযোগ করেন স্টেশনে কোন মহিলা পাবলিক টয়লেট বা ওয়াশরুম নেই ,এতে করে দুর হতে আগত বা পথের যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জনতা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব শাহাবুদ্দিন (৫০) তিনিও সময় বাঁচানোর জন্য ট্রেনের পথ ব্যাবহার করেন, কিন্তু এই রুটের অতিপুরাতন অভিযোগ ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় এ তিনি বিরক্ত। তিনি বলেন সময়ের মূল্য বুঝা উচিত সংশ্লিষ্টদের ,যাত্রীদের অনেক সময় রেল কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিতে নস্ট হয়। এছাড়া তিনি ট্রেনের বগি বাড়ানোর পরামর্শ দেন।এসব অভিযোগ নিয়ে স্টেশন মাস্টারের কাছে জানতে চাইলে স্টেশন মাষ্টার জিয়াউল হক (৬০)+ বলেন রেল ৮ টি ডিভিশন মিলে কাজ করে , স্টেশনের কাঠামোগত সমস্যা আমাদের দায়িত্বে পরে না, সেটি DEN 1&2 তাদের দায়িত্ব, আর ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় এর জন্য ঢাকার স্টেশন মাস্টারের অব্যাবস্থাপনা বলে অভিহিত করলেন, তিনি আর বলেন অভিযোগ দিয়া হয়েছে অনেক, বেসরকারী বিধায় তা শোনার কেউ নেই।  এখন স্থানীয় যাত্রীদের মনে প্রশ্ন আর কত ভোগান্তি পোহালে স্টেশন যাত্রী সেবার আলোর মুখ দেখবে ?

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচানের আগেই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা : ওসি আব্দুল বারিক

ফতুল্লা রেল স্টেশন সমস্যায় জর্জারিত

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা-নারায়গঞ্জ রেলওয়ে পথে অন্যতম গুরুত্তপুর্ন স্টেশন হল এই ফতুল্লা রেল স্টেশন। এটি ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত হয়েছে যা এই আজো ফতুল্লার মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ এই স্টেশন থেকে যাতায়াত করে, যাদের ভেতর অধিকাংশই নিয়মিত চাকুরীজীবী ও বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র। কিন্তু এই স্টেশনের মাধ্যমে যাতায়াতরত মানুষের দুর্ভোগ এর শেষ নেই। প্রায় ৫ বছর ধরে নিয়মিত যাতায়াতরত যাত্রী আনোয়ার হোসেন(২৪) বলেন এই স্টেশনে যাত্রী সুবিধা নেই বললেই চলে, এখানে পর্যাপ্ত বসার স্থান নেই এমন কি অফিস টাইমে দাঁড়ানের স্থানও থাকে না। বসার স্থান যেগুলো আছে তা পর্যাপ্ত নয় এবং সামান্য বৃষ্টিতে উপরের টিনের ছিদ্র থেকে পানি পড়ে সিট ভিজে থাকে। অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী রাহিমু মাহিন(২০) অভিযোগ করেন স্টেশনে কোন মহিলা পাবলিক টয়লেট বা ওয়াশরুম নেই ,এতে করে দুর হতে আগত বা পথের যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জনতা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব শাহাবুদ্দিন (৫০) তিনিও সময় বাঁচানোর জন্য ট্রেনের পথ ব্যাবহার করেন, কিন্তু এই রুটের অতিপুরাতন অভিযোগ ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় এ তিনি বিরক্ত। তিনি বলেন সময়ের মূল্য বুঝা উচিত সংশ্লিষ্টদের ,যাত্রীদের অনেক সময় রেল কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিতে নস্ট হয়। এছাড়া তিনি ট্রেনের বগি বাড়ানোর পরামর্শ দেন।এসব অভিযোগ নিয়ে স্টেশন মাস্টারের কাছে জানতে চাইলে স্টেশন মাষ্টার জিয়াউল হক (৬০)+ বলেন রেল ৮ টি ডিভিশন মিলে কাজ করে , স্টেশনের কাঠামোগত সমস্যা আমাদের দায়িত্বে পরে না, সেটি DEN 1&2 তাদের দায়িত্ব, আর ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় এর জন্য ঢাকার স্টেশন মাস্টারের অব্যাবস্থাপনা বলে অভিহিত করলেন, তিনি আর বলেন অভিযোগ দিয়া হয়েছে অনেক, বেসরকারী বিধায় তা শোনার কেউ নেই।  এখন স্থানীয় যাত্রীদের মনে প্রশ্ন আর কত ভোগান্তি পোহালে স্টেশন যাত্রী সেবার আলোর মুখ দেখবে ?