সিদ্ধিরগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসি দাবি

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে পিয়াসী আক্তার(২১) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্বজনরা। মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় মিজমিজি বাতানপাড়া মাদরাসা রোড এলাকায় এবিক্ষোভ করা হয়।
পুলিশ নিহতের স্বামী ওমর ফারুক (৩৮) ও ভাসর মোঃ বিল্লাল হোসাইনকে (৪৫) আটক করেছেন। তারা মিজমিজি বাতানপাড়া মাদরাসা রোড এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে।
নিহত পিয়াসী আক্তার মিজমিজি ক্যানালপাড় এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের মেয়ে।
জানা গেছে, গত সোমবার সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়ার ইউছুফগঞ্জ এলাকার কামরুল ফকিরের বাড়ীর ভাড়া বাসা থেকে পিয়াসী আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়না তদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। পরে স্বজনরা লাশ নিয়ে মিজমিজি বাতানপাড়া এসে স্বামীর বাড়ীর সামনে রেখে বিক্ষোভ করেন।
নিহতের মা মাহমুদা আক্তার শিল্পী জানান, গত ২ বছর আগে পিয়াসী আক্তারের সাথে পারিবারিক ভাবে ওমর ফারুকের বিয়ে হয়। এর পরেও ফারুক আরো দুইটি বিয়ে করে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। পরে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে আদালতে নারী নির্যাতন মামলা করা হয়। এক সপ্তাহে আগে আপোষ মিমাংশা করার কথা বললে আমরা মামলা তুলে নেই। ওমর ফারুক পিয়াসী আক্তারকে নিয়ে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়ার ইউছুফগঞ্জ এলাকার কামরুল ফকিরের বাড়িতে বাসা ভাড়া নেয়। সোমবার পুলিশের ফোন পেয়ে জানতে পারি পিয়াসী ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। আমার ধারণা তার স্বামী তাকে হত্যা করে আতœহত্যার নাটক সাজিয়েছে।
সোনারগাঁও থানার এসআই আনিসুর রহমান জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। নিহতের স্বামী ওমর ফারুক ও বড় ভাই মোঃ বিল্লাল হোসাইনকে ঘটনার দিনই আটক করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যার আসল কারণ জানা যাবে।