সোনারগাঁয়ে জোরপূর্বক ব্যক্তিগত জায়গা দখল করে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে রিলায়েন্স হাউজিংয়ের মাঠ নামক জায়গায় ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর ইজারা আনলেও উক্ত এলাকার বিভিন্ন নিরিহ বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত জমি, জায়গা, চলাফেরার খালি জায়গা জোরপূর্বক দখল করে এমনকি কাঁচপুর থেকে চেঙ্গাইন অভিমুখের রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে রাস্তার উপরেও পশুর হাট বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ভূক্তভোগীরা সহ উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী হাজারো পথচারী বিপাকে পড়েছে বলে জানা গেছে। তাছাড়া রিলায়েন্স হাউজিংয়ের মাঠ বালু ভরাট করে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা, কারখানা, গুদামঘর ও বিভিন্ন ভাড়া বাসা গড়ে তোলা হয়েছে, হাটের ইজারাকৃত জায়গার কোন অস্তিত্ব নেই বললেই চলে এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত হাইস্কুলের বড় মাঠ থাকা সত্বেও সেখানে হাট না বসিয়ে স্থানীয় ফজুলল হক খাঁন, হাবু কাজী, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান সহ স্থানীয় আরও কয়েকজনের জায়গা দখল করে তারা হাট বসিয়েছে এমনটাই জানা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্র মতে জানা যায়, কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমরের ছোট ভাই কথিত শ্রমিক লীগ নেতা ফারুক ওমর যিনি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তার নামে হাটের ইজারা আনা হলেও তার আরেক ভাই বাবুল ওমর বাবু দখলবাজি করে অন্যের জায়গায় হাট বসিয়েছেন ও সমস্ত হাট পরিচালনা করছেন। ব্যক্তিগত জায়গাগুলোতে গরুর হাট বসানো হলে স্থানীয়দের চলাফেরার সমস্যা হবে এবং জায়গাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমন ধরণের নানান সমস্যার কথা হাটের সাথে সম্পৃক্তদেরকে বলা হলেও স্থানীয় ভূক্তভোগীদের কোন কথায় তারা কর্ণপাত করেনি বরং তারা চেয়ারম্যানের ভাই হবার সুবাদে চেয়ারম্যানের ক্ষমতার দাপটে রাতের আধারে জোরপূর্বক উক্ত জায়গাগুলোতে খুটি (বাঁশ) গেড়ে গরুর হাট আয়োজন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগীরা তাদের ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেনা। চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমর ও তার ভাইদের এমন দখলদারিত্ব ও জোরপূর্বক অন্যদের জায়গা দখল করে গরুর হাট আয়োজনের কারণে স্থানীয়রা অসন্তোষ প্রকাশ সহ কঠোর সমালোচনা করে যাচ্ছেন। রক্ষক হয়ে যদি ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় তাহলে জনপ্রতিনিধিদের উপর সাধারণ জনগণের আস্থা হ্রাস পায় এবং মোশাররফ ওমর নৌকা প্রতীকের একজন চেয়ারম্যান হয়ে এ ধরণের কার্যক্রম করে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উল্লেখিত ইউনিয়নের সচেতন মহল।