নারায়ণগঞ্জ ০৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায় সোনারগাঁয়ে মাদকের আস্তানায় পুলিশের হানা উদ্ধার গাঁজা-ইয়াবা, আটক ৩০ রূপগঞ্জে মাদকের অপরাধে ১৯ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড অসুস্থ নাজির কামরুল ইসলামের সুস্থতার জন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা :দ্রুত সুস্থতা কামনায় শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের দোয়া নাগরিকের তথ্য বিদেশিদের হাতে নয়—পাসপোর্ট সেবা হস্তান্তর বন্ধের দাবিতে রিয়াদে সংবাদ সম্মেলন প্রিপারেটরি স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা,মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা জরুরি: ডিসি অপরাধ ও মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে – এসপি হাবিবুর রহমান সিদ্ধিরগঞ্জ পুলে চাঁদাবাজির রাজত্ব ধরে রাখতে মরিয়া সালাউদ্দিন আড়াইহাজারে গৃহবধূ ঐশী হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জ সদরে গ্রাম আদালত ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ে বিশেষ সভা

আড়াইহাজারে মাংস সমিতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১
  • ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জিয়াউর রহমান: বেশ কয়েক বছর ধরে নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘মাংস সমিতি’ বা ‘গরু সমিতি’। উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়নে এ বছর ৫’শ এর ও বেশি সমিতি গরীব , নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের মাংসের চাহিদা পুরন করেছে। সারাবছর একটু একটু করে সঞ্চয় করে ঈদের আগে পশু কিনে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেন ‘মাংস সমিতি’র সদস্যরা। এতে করে ঈদে গরীব মানুষ বাড়তি আনন্দ পায় এবং তাদের আর্থিক চাপও কমে যায়।

আড়াইহাজার উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া বা মহল্লায় ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এ ধরনের মাংস বা গরু সমিতি গঠন করা হয়। শুরুতে শুধুমাত্র নিম্নবিত্ত মানুষেরা এ ধরনের সমিতি করলেও এখন মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তরা ও মাংস সমিতি করছেন। মাংস সমিতির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, দশ-বারো বছর আগে দু’একটি গ্রামে পেশাদার মাংস বিক্রেতারা পরীক্ষা মূলকভাবে এ ধরনের সমিতি চালু করেছিল। কসাইদের দেখানো পথে অনেকেই হেটেছেন। প্রতিবছর বাড়ছে মাংস সমিতির সংখ্যা।

এ বছর আড়াইহাজার উপজেলার ৩১৬ টি গ্রামে সমিতির সংখ্যা ১ হাজারের চেয়ে বেশি হয়েছে বলে জানাগেছে। মাংস সমিতিতে সচরাচর সদস্য সংখ্যা হয়ে থাকে ২০ থেকে ৪০ জন পর্যন্ত। প্রত্যেক সদস্য সপ্তাহে বা মাসে চাঁদা জমা দেন। ঈদুল ফিতরের দু’একদিন আগে জমা করা টাকায় গরু বা ছাগল কিনে এনে জবাই করে সদস্যরা মাংস ভাগ করে নেন। তবে চামড়া বিক্রির টাকা পরের বছরের জন্য তহবিল গঠন করে সমিতির কার্য্যক্রম চলে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভায়

আড়াইহাজারে মাংস সমিতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১

মোঃ জিয়াউর রহমান: বেশ কয়েক বছর ধরে নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘মাংস সমিতি’ বা ‘গরু সমিতি’। উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়নে এ বছর ৫’শ এর ও বেশি সমিতি গরীব , নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের মাংসের চাহিদা পুরন করেছে। সারাবছর একটু একটু করে সঞ্চয় করে ঈদের আগে পশু কিনে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেন ‘মাংস সমিতি’র সদস্যরা। এতে করে ঈদে গরীব মানুষ বাড়তি আনন্দ পায় এবং তাদের আর্থিক চাপও কমে যায়।

আড়াইহাজার উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া বা মহল্লায় ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এ ধরনের মাংস বা গরু সমিতি গঠন করা হয়। শুরুতে শুধুমাত্র নিম্নবিত্ত মানুষেরা এ ধরনের সমিতি করলেও এখন মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তরা ও মাংস সমিতি করছেন। মাংস সমিতির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, দশ-বারো বছর আগে দু’একটি গ্রামে পেশাদার মাংস বিক্রেতারা পরীক্ষা মূলকভাবে এ ধরনের সমিতি চালু করেছিল। কসাইদের দেখানো পথে অনেকেই হেটেছেন। প্রতিবছর বাড়ছে মাংস সমিতির সংখ্যা।

এ বছর আড়াইহাজার উপজেলার ৩১৬ টি গ্রামে সমিতির সংখ্যা ১ হাজারের চেয়ে বেশি হয়েছে বলে জানাগেছে। মাংস সমিতিতে সচরাচর সদস্য সংখ্যা হয়ে থাকে ২০ থেকে ৪০ জন পর্যন্ত। প্রত্যেক সদস্য সপ্তাহে বা মাসে চাঁদা জমা দেন। ঈদুল ফিতরের দু’একদিন আগে জমা করা টাকায় গরু বা ছাগল কিনে এনে জবাই করে সদস্যরা মাংস ভাগ করে নেন। তবে চামড়া বিক্রির টাকা পরের বছরের জন্য তহবিল গঠন করে সমিতির কার্য্যক্রম চলে।